দামা দাম মাস্ত কালান্দার

লেখালোক এটাসেটা
দামা দাম মাস্ত কালান্দার

কিছু কিছু গান থাকে যা জাতি-ধর্ম-বর্ণ-লিঙ্গ-বয়স নির্বিশেষে সবাইকে উম্মাতাল করে তোলে। সেরকম একটা গান নিয়েই আজ লিখছি। এর আগের একটি লেখায় বহুল জনপ্রিয় ইংরেজি গান ‘Jimmy please say you’ll wait for me/ I’ll grow up someday you’ll see/ Saving all my kisses just for you/ Signed with love forever true’ নিয়ে লিখেছিলাম। আজ লিখতে যাচ্ছি অনেক পরিচিত ‘দামা দাম মাস্ত কালান্দার’ গানটি নিয়ে, এটি মূলত সূফী ঘরানার কাওয়ালি। তের শতকের সূফী কবি আবুল হাসান   ইয়ামিন উদ-দিন খসরু (১২৫৩ - ১৩২৫) বা আমির খসরু এই কাওয়ালি গানটা সূফী সাধক সৈয়দ উসমান মারওয়ান্দি’র সম্মানে লিখেছিলেন। তবে ব্যক্তিজীবনে তিনি নিজামুদ্দিন আউলিয়ার আধ্যাত্মিক  শিষ্য ছিলেন। তিনি কেবল কবি না, অনন্য গায়কও ছিলেন এবং তাকে ‘কাওয়ালির জনক’ বলা হয়।


সৈয়দ উসমান মারওয়ান্দি সূফী সাধক লালবাবা শাহবাজ কালান্দার (১১৭৭-১২৭৪) নামেই বেশি পরিচিত। তিনি আফগানিস্তানের মারওয়ান্দ অঞ্চলে জন্মগ্রহণ করেন এবং বিশিষ্ট পণ্ডিত ও বহু ভাষাবিদ ছিলেন। হিন্দু ও মুসলিমদের মধ্যে ঐক্য সাধনের জন্য তিনি বিশেষ অবদান রেখেছিলেন। তাকে ‘লাল’  নামে ডাকা হতো, কারণ তিনি লাল রঙের পোষাক পরতেন। ‘শাহবাজ’ বলা হতো কারণ তিনি মহৎ ছিলেন এবং ‘কালান্দার’ বলা হতো কারণ তিনি সূফী সাধক ছিলেন। এছাড়া চিরকুমার সাধু যারা উচ্চ আধ্যাত্মিক স্তরে পৌঁছেছেন তাদেরকেও কালান্দার বলা হয়ে থাকে। ‘শাহবাজ কালান্দার’-কে তার ভক্তরা ঝুলেলাল-ও বলতো। আসলে তিনি মুসলমানদের কাছে যেমন হযরত শাহবাজ কালান্দর, হিন্দুদের কাছে  তেমনি তিনি ঝুলেলাল। তার মাজার পাকিস্তানের জামশোরো জেলার সেহওয়ান শরীফে। বর্তমানে আমরা কাওয়ালিটা যেভাবে শুনি সেটি অবশ্য বুল্লেহ শাহ্‌র সংস্করণ। বুল্লেহ শাহ্‌’র জীবনকাল ছিল মোগল আমলের শেষভাগে। তার আসল নাম সৈয়দ আবদুল্লাহ শাহ কাদরি, যদিও কর্ম ও রচনার মাধ্যমে তিনি যুগযুগান্ত ধরে বুল্লেহ শাহ্‌ নামেই খ্যাতিমান। বুল্লেহ শাহ্‌’র আধ্যাত্মিক গুরু বা পীর ছিলেন লাহোরের প্রখ্যাত সুফি দরবেশ শাহ ইনায়েত কাদরি। বুল্লেহ শাহ্‌ শাহবাজ কালান্দরের প্রশংসায় শ্লোক যোগ করে গানটিতে সিন্ধি সংস্কৃতির প্রলেপ দিয়েছেন। পাকিস্তানের পাঞ্জাব এবং সিন্ধুর পাশাপাশি ইরান জুড়ে এটি একটি জনপ্রিয় সিন্ধি সুফি ইসলামিক লোকগান। বাবা বুল্লেহ শাহ্‌ ও লালবাবা শাহবাজ কালান্দারের ব্যাপক প্রভাব রয়েছে পাঞ্জাবের উভয় অংশেই। এই অঞ্চলের সূফীবাদে, বিশেষতঃ সঙ্গীতে তাদের ব্যাপক প্রভাব আছে। অনেকটা আমাদের দেশের হাছন রাজা আর মাইজভান্ডারীর মতো।


দামা দাম মাস্ত কালান্দার’ গানটার বর্তমান জনপ্রিয় সংস্করণের অনেক আগে থেকেই শাহবাজ কালান্দরের মাজারে বাজছে। মাজারগুলো সাধারণত ধর্মভীরুদের পাশাপাশি মাদকসেবী, পতিতাসহ ভবঘুরে লোকজনদের আস্তানা হয়ে থাকে। একবার এরকম এক জিপসি মেয়ে মরুভূমি থেকে শাহবাজ  কালান্দারের মাজারে এসে এই গানটি গেয়েছিল, রেডিও পাকিস্তানের একজন রেকর্ডার সেসময়ে এটি রেকর্ড করেছিলেন। মেয়েটিকে এরপরে আর খুঁজে না পাওয়া গেলেও গানটি কিন্তু হিট হয়ে যায়। এরপর সময়ের সাথে সাথে পাকিস্তানের প্রায় প্রতিটি গায়ক এটি গাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন।


ভক্তিমূলক গানের কথার সৌন্দর্য হলো যে এটি ধর্মীয় পার্থক্যের ঊর্ধ্বে উঠে যায় এবং প্রত্যেকে তাদের  মতো করে তা ব্যাখ্যা করে। এই গানটির বিভিন্ন পরিবেশনা বহু বছর ধরে অসংখ্য সুরকার এবং গায়কদের দ্বারা রচিত এবং পরিবেশিত হয়েছে। তবে এই গানের আধুনিক এবং জনপ্রিয় পরিবেশনাটার সুর করেছেন আশিক হোসেন নামে পাকিস্তানের একজন বিখ্যাত সুরকার। তিনি ১৯৫৬ সালের পাকিস্তানি সিনেমা  ‘জাবরু’-এর জন্য ‘লাল মেরি পট’ গানটিতে সুরটা করেছিলেন, আর গানটাতে কণ্ঠ দিয়েছিলেন সেসময়ের সঙ্গীতশিল্পী ইনায়েত হোসেন ভাট্টি, ফজল হুসেন এবং এ.আর. বিসমিল। আশিক হোসেন চরম দারিদ্র্যের মধ্যে লাহোরের বাজার-ই-হাকিমানের একটা বস্তিতে ২০১৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন। আশিক হোসেন এর গান,


O laal meri pat rakhio bala jhoole laalan

O laal meri pat rakhio bala jhoole laalan

Sindri daa sehvan daa sakhi shah baaz qalandar

Dama dam mast qalandar ali dam dam de andar

Dama dam mast qalandar ali da pehla number

O laal meri pat rakhio bala jhoole laalan

O laal meri pat rakhio bala jhoole laalan


১৯৬৯ সালের পাকিস্তানি সিনেমা ‘দিলান দে সৌদে’র জন্য নাজির আলী ‘দামা দাম মাস্ত কালান্দার’ শিরোনামে গানটির সুরে কিছু পরিবর্তন আনেন, ভারতীয় উপমহাদেশের জনপ্রিয় শিল্পী নুর জাহান গানটা গেয়েছিলেন। পরবর্তীতে ভারতীয় উপমহাদেশের আরেক জনপ্রিয় শিল্পী বাংলাদেশের রুনা লায়লা গানটি গেয়েছিলেন। এরপর পাকিস্তানের নুসরাত ফতেহ আলী খান, আজিজ মিয়াঁ, আবিদা পারভীন, সাবরি ব্রাদার্স, রেশমা, কোমল রিজভী এবং জুনুনের মতো অন্যান্য পাকিস্তানি গায়করাও গেছেন। হান্স রাজ হান্স, ওয়াদালি ব্রাদার্স, হর্ষদীপ কৌর, নুরান সিস্টারস এবং মিকা সিং এর মতো ভারতীয় শিল্পীরাও এই গানটা পরিবেশন করেছেন।


পাকিস্তানি সঙ্গীতশিল্পী নুসরাত ফতেহ আলী খান এবং এম. আরশাদ ‘দাম মাস্ত কালান্দর’ গান দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে ভিন্ন সুর ও বিন্যাসসহ একটি নতুন গান রচনা করেছেন। ১৯৯১ সালে তার মুক্তি পাওয়া   অ্যালবাম মাস্ত কালান্দর এ ‘দাম মাস্ত মাস্ত’ হিসাবে গানটা প্রকাশিত হয়। তিনি ১৯৯২ সালের পাকিস্তানি সিনেমা ‘বক্সার’-এর জন্যও গানটি পরিবেশন করেছিলেন। তার গানকে বিভিন্নভাবে ‘দাম মাস্ত কালান্দর মাস্ত মাস্ত’, ‘দম মাস্ত কালান্দর’ বা ‘মাস্ত মাস্ত’ বলা হয়। ২০১৬ সালে, ব্রিটিশ-ইরানি গায়ক সামি ইউসুফ তার অ্যালবাম বারাকাহ-এ নুসরাত ফতেহ আলী খানের গানটা পরিবেশন করেন। বলিউডের সঙ্গীত পরিচালক ভিজু শাহ ১৯৯৪ সালের হিন্দি সিনেমা ‘মোহরা’ এর জন্য হিট গান ‘তু চিজ বাদি হ্যায় মাস্ত মাস্ত’ তৈরি করতে নুসরাত ফতেহ আলী খানের সংস্করণটা ব্যবহার করেছিলেন। মূল কাওয়ালি অনেক লম্বা, ওয়াদালি ভাইদের সংস্করণটাও ৪০ মিনিটের বেশি। তবে রুনা লায়লা’র গাওয়া সংস্করণটা অত্যন্ত সরলীকৃত এবং সংক্ষিপ্ত। মূল কাওয়ালি অনেকটা এরকম,


Ho… Laal Meri Pat Rakhiyo Bhala Jhoole Laalan

O red robed one! May I always be protected by You, O Jhoolelaal

Laal Meri Pat Rakhiyo Bhala Jhoole Laalan

O red robed one! May I always be protected by You, O Jhoolelaal

Sindhri Da Sehwan Da Sakhi Shahbaz Kalandar

O Lord of Sindh and Sehwan, O noble Kalandar


Duma Dum Mast Kalandar, Ali Da Pehla Number

O red-robed euphoric Kalandar, Ali is always the first

Duma Dum Mast Kalandar, Sakhi Shahbaz Kalandar

O red-robed euphoric Kalandar, O noble Kalandar


Ho… Laal Meri Pat Rakhiyo Bhala Jhoole Laalan

O red robed one! May I always be protected by You, O Jhoolelaal

Laal Meri Pat Rakhiyo Bhala Jhoole Laalan

O red robed one! May I always be protected by You, O Jhoolelaal

Sindhri Da Sehwan Da Sakhi Shahbaz Kalandar

O Lord of Sindh and Sehwan, O noble Kalandar

Ho Laal Meri, Haaye Laal Meri…

O red robed one!


Ho… Chaar Chiraag Tere Baran Hamesha (x2)

Your shrine is always lighted with four lamps

Char Chiraag Tere Baran Hamesha

Your shrine is always lighted with four lamps

Paanjwaan Ve Palan Aaiyaan Bala Jhoole Laalan

I’ve come here to light the fifth lamp in Your honour, O Jhoolelaal

Ho… Paanjwaan Ve Palan

To light the fifth lamp

Ho… Paanjwaan Ve Palan Aaiyaan Bala Jhoole Laalan

I’ve come here to light the fifth lamp in Your honour, O Jhoolelaal

Sindhri Da Sehwan Da Sakhi Shahbaz Kalandar

O Lord of Sindh and Sehwan, O noble Kalandar


Duma Dum Mast Kalandar, Ali Da Pehla Number

O red-robed euphoric Kalandar, Ali is always the first

Duma Dum Mast Kalandar, Sakhi Shahbaz Kalandar

O red-robed euphoric Kalandar, O noble Kalandar

Ho Laal Meri, Haaye Laal Meri…

O red robed one!


Ho… Jhanan Jhanan Teri Naubat Baaje (x2)

Your drums are ringing (beating with Your heroic name)

Jhanan Jhanan Teri Naubat Baaje

Your drums are ringing

Laal Baje Ghadiyal Bala Jhoole Lalan

Let the gong ring loudly for your glory, day and night, O Jhoolelaal

Ho... Laal Baje

Let the gong ring

Laal Baje Ghadiyal Bala Jhoole Lalan

Let the gong ring loudly for your glory, day and night, O Jhoolelaal

Sindhri Da Sehwan Da Sakhi Shahbaz Kalandar

O Lord of Sindh and Sehwan, O noble Kalandar


Duma Dum Mast Kalandar, Ali Da Pehla Number

O red-robed euphoric Kalandar, Ali is always the first

Duma Dum Mast Kalandar, Sakhi Shahbaz Kalandar

O red-robed euphoric Kalandar, O noble Kalandar

Ho Laal Meri, Haaye Laal Meri…

O red robed one!


Arre Dum Dum Dum Dum Dum Dum Ali Ali (x3)

There’s Ali in every breath I take


Duma Dum Mast Kalandar, Ali Da Pehla Number

O red-robed euphoric Kalandar, Ali is always the first

Duma Dum Mast Kalandar, Sakhi Shahbaz Kalandar

O red-robed euphoric Kalandar, O noble Kalandar

Duma Dum Mast Kalandar, Ali Da Pehla Number

O red-robed euphoric Kalandar, Ali is always the first

Duma Dum Mast Kalandar, Sakhi Shahbaz Kalandar

O red-robed euphoric Kalandar, O noble Kalandar

Duma Dum Mast Kalandar, Ali Da Pehla Number

O red-robed euphoric Kalandar, Ali is always the first

Duma Dum Mast Kalandar, Sakhi Shahbaz Kalandar

O red-robed euphoric Kalandar, O noble Kalandar

Duma Dum Mast Kalandar, Ali Da Pehla Number

O red-robed euphoric Kalandar, Ali is always the first

Duma Dum Mast Kalandar, Sakhi Shahbaz Kalandar

O red-robed euphoric Kalandar, O noble Kalandar


রুনা লায়লার গানটার ইউটিউব লিঙ্ক https://www.youtube.com/watch?v=fxWhvoGdxuE


তথ্যসূত্রঃ ইন্টারনেট 


পোস্টে দেয়া উত্তরঃ

বিখ্যাত সূফী সাধক শাহবাজ কালান্দারকে নিয়ে আমির খসরু তেরশতকে মূল কাওয়ালিটা লিখলেও  পরবর্তীতে বিভিন্ন সূফী/সুরকার/গীতিকার এর বিভিন্ন সংস্করণ বের করেন। কাওয়ালির প্রথম সংস্করণ আসে বাবা বুল্লেহ শাহ্‌'র হাত ধরে। শাহবাজ কালান্দার, বুল্লেহ শাহ্‌ এনারা আসলে ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব বা সহজ কথায় পীর ছিলেন। এরমধ্যে বুল্লেহ শাহ্‌ ছিলেন অসাম্প্রদায়িক চেতনার (ওনার লেখা কাওয়ালি আমার অনেক প্রিয়, ওনাকে আরেকদিন ইনশাআল্লাহ আলাদাভাবে লিখবো)। বুল্লেহ শাহ্‌ তার সংস্করণে সিন্ধু অঞ্চলের কিছু সাংস্কৃতিক উপকরণ যোগ করে এটিকে মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে যান এবং এটি মুসলমানদের পাশাপাশি হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যেও জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। যেমন একজায়গায় পড়লাম 'ঝুলেলাল' হলেন জলের দেবতা বরুণের আরেক নাম। এতে শিয়া-সুন্নি গোত্র থেকে উপকরণ বা রূপক, হিন্দু-মুসলমান ধর্মীয় সম্প্রদায় থেকে উপকরণ বা রূপক গ্রহণ ও প্রয়োগের মাধ্যমে সার্বজনীন করা হয়েছে। এজন্যই সব ধর্ম-বর্ণের মানুষ এই কাওয়ালির সাথে একাত্ম হতে পেরেছে, সবাই ভেবেছে এটি আমার জন্যই লেখা। তবে লেখার কলেবর ছোট রাখতে শুরু থেকেই আমি এই কাওয়ালির ধর্মীয় দিকটাকে আড়ালে রেখে মূলত ঐতিহাসিক দিকটাকে সামনে এনেছি।


বুল্লেহ শাহ্‌'র সংস্করণটাই পরবর্তী কয়েকশ বছর ধরে বাবা শাহবাজ কালান্দারের মাজারে গাওয়া হতে থাকে। মাজার সবসময়ই ভাসমান মানুষদের আনাগোনার জায়গা, জিপসি মেয়েটা সেরকম একজন। রেডিও পাকিস্তানের রিপোর্টার ষাটের দশকে মূলত বিভিন্ন মাজারকেন্দ্রিক লোকগান সংগ্রহ করতে ঐ এলাকায় গিয়েছিলেন। শাহবাজ কালান্দারের মাজারে তিনি জিপসি (এক জায়গায় পড়লাম বাঞ্জারান) মেয়েটার কণ্ঠে গানটা পেয়ে যান। তার করা রেকর্ড রেডিও পাকিস্তানের এক অনুষ্ঠানে বাজানো হলে এটাকে নিয়ে শ্রোতাদের মাঝে বিপুল আগ্রহ সৃষ্টি করে। এরফলে ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানি সুরকার আশিক হোসেন ‘জাবরু’ সিনেমার জন্য এই কাওয়ালির কথা ও সুরে কিছু সংস্কার করে ব্যবহার করেন। এরপর থেকে কমবেশি এই সুরেই গানটা গাওয়া হতে থাকে। সর্বশেষ নুসরাত ফতেহ আলী এটিকে সংস্কার করেন। ১৯৫৬ সাল থেকে আজ পর্যন্ত গানের আধুনিক সংস্করণ বিভিন্ন শিল্পীরা বিভিন্নভাবে গাইলেও ১৯৬৯/৭০ সালের দিকে রুনা লায়লার মত করে মূল সিন্ধি উচ্চারণের কাছাকাছি থেকে গানটা গেয়ে এতটা জনপ্রিয়তা আর কেউ পাননি। তবে রুনা লায়লা’র কণ্ঠে আমরা যেটা শুনি সেটা এই কাওয়ালির সংক্ষিপ্ত রূপ। মূল কাওয়ালি অনেক লম্বা কারণ এতে গানের পাশাপাশি সংলাপ (অনেকটা ‘শিকওয়া এবং জাওয়াব-ই-শিকওয়া’ এর মতো) থাকে।


এই আর্টিকেলে ব্যবহৃত সব তথ্য উইকিপিডিয়া, পাকিস্তানের ডন পত্রিকা, পাকিস্তান ও ভারতের কিছু ব্লগ/সামাজিক প্ল্যাটফর্ম এবং বিভিন্ন শিল্পীদের গাওয়া গানের নিচে শ্রোতাদের কমেন্টস থেকে সংগ্রহ করেছি। মূলত জানার আগ্রহ থেকে এই প্রচেষ্টা এবং সবাইকে জানানোর আগ্রহ থেকে এই পোস্ট। ধন্যবাদ।



পোস্ট ভিউঃ 23

আপনার মন্তব্য লিখুন