হিজলের চোখে আজো নিস্ফলা দুপুর-
ভবঘুরে মাছ খোঁজে শ্যাওলার আঁচল
পৃথিবীর ধূসরতা আজো যেন একইরকম
জানালার চৌকাঠে জমে থাকে কমলা বিকেল,
নিঃসঙ্গ চিল ওড়ে আকাশের ভাঁজে-
ডানার প্রান্ত রাখেনি তার ওমের খবর, তুমিও যেমন
কপোলের তিলে জেগে থাকে ঘুণপোকা প্রহর
ঘড়ির ডায়ালে কারো মৃত্যুর ক্ষণ গুনে যাওয়া।
গ্রুভবিস্ত্রো'র কোণটাতে এখনও শূন্য চেয়ার-
কফির পেয়ালাতে আজও ঝুলেথাকা দিন
ঝলমলে পর্দা এখনও যেন চিবুকের মতোন
তোমার হাসির মতোন সেখানে পর্দা ওড়ে,
ঝালরের কোলাজে লোবানের ঘ্রাণ-
হার্মিসের প্রজাপতি কিছু চোখের কার্নিশে
আর একইরকম ক্ষয়ে যাওয়া সুখে
নিকোটিন বুকে আমার একইরকম ঘরে ফেরা।
ঠোঁটের অমন ভাঁজে কী মাখো জানিনা-
প্রতিবার
প্রতিটা চুমুর পর নেশাচুর হৃদয়
নেশা হয় ল্যাগবেগে চুলের ঘ্রাণে,
চিবুকের টোলে সায়ানাইড রাখো-
একটু একটু করে তলিয়ে যাই মৃত্যুনীলে
তোমার চোখের মতো রূপোলী চামচ
পড়ে আছে আজো বিষণ্ণ টেবিলের বুকে।
এমন উচাটন ঘোরলাগা দিনে-
তোমাকে ঘিরে থাকে হায়েনার মুখ
শিল্পকলা-বেতার কিংবা স্টুডিওর অবসরে
তোমার আঁচলে জমে নাগরিক তাপ,
আমার জীবনে নেই ছন্দপতন-
সন্ধ্যার বিষণ্ণ তবিলে শুধে প্রজাপতির ঋণ
একটু একটু করে তোমার বদলে যাওয়া দেখি,
তোমাকে ছাড়া জেনো আমি বেশ আছি।
পোস্ট ভিউঃ 10