দীর্ঘশ্বাস

কবিতা বসন্ত এসে ছুঁয়ে গেছে
দীর্ঘশ্বাস

পাখির চোখে চলে গেছো-  

সরীসৃপের ছায়ার মতো নীরবে নিভৃতে, 

শুকনো পাতার মর্মরে লুকোনো স্মৃতিকণা 

হৃদয়ের নুড়ি-পাথর-  

পাখার চিহ্নে জমাট বেহিসেবী আবেগ, 

                সবটা নিয়ে চলে গেছো।


কখনও অভিমানের পাহাড় বুকে- 

কিছু স্মৃতি ফিরে আসে দীর্ঘশ্বাস হয়ে,  

কিছু হাহাকার-অব্যক্ত অনুভূতি-কথার টুকরো 

                                     ফিরে আসে। 

ঝরা বকুলের সকল আবেগ নিয়ে গেছো 

চলে গেছো বিকেলের আঙিনা ছেড়ে- 

চিলেকোঠার শূন্যতায় চিলের রূপোলী ঝলক-  

    তাও নিরুদ্দেশে চলে যায় কুয়াশার মতোন।


এখনও মাঝরাতে ঘুম ভেঙে গেলে-  

আকাশের কোল ঘেঁষা ছাদের কার্নিশে  

একফালি চাঁদ ঝুলে থাকে শিশিরের টানে- 

                           আমি চেয়ে থাকি,   

       তোমার ক্ষুদেবার্তার অপেক্ষায় থাকি- 

দীঘির জলের মাঝে যেমন জোছনার ঝিকিমিকি, 

               ভুল করে ভাবি তুমি আজো আছো-  

                    আমার না থাকার সবটা জুড়ে।


হৃদয়ের ভারে একদিন অনেক কথা বলেছিলাম-  

                          তারপর বলিনাকো আর 

শেষে ট্রেনে আলো মিশে গেছে নিকষ আঁধার, 

পৃথিবীর বয়সী নারীদের মতোন 

আমাদের চোখের গভীরে ছায়া নেমে আসে 

      শুকনো নদীর জলে যেমন বটের ঝুরি।


কান্না লুকিয়ে রাখায় জেনো চোখের সুখ নেই 

    এখনও মুঠোফোনে কারো অপেক্ষার রোদ- 

         ছায়া দিয়ে গ্রাস করে প্রবল প্রতিরোধ, 

এখনও বন্ধ জানালায় তোমার ছবি আঁকি

হৃদয় খুড়ে আজো গোলাপের প্রতিমা খুঁজি,  

    তুমি আট প্রহরের অভ্যেস হয়ে আছো। 



পোস্ট ভিউঃ 9

আপনার মন্তব্য লিখুন