১৯৭৪ সালে শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত ‘সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়’ নীতিটি একসময় যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের অস্তিত্ব রক্ষার ঢাল হলেও ২০২৬ সালের জটিল ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতায় এর আমূল সংস্কার এখন সময়ের দাবি।
২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অত্যন্ত সংবেদনশীল ও অগ্নিপরীক্ষার মুহূর্ত। এই নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তার স্বার্থে পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে
বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব ও আমূল পরিবর্তনের সূচনা হতে যাচ্ছে। দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে পরিচিত ‘র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন’ (র্যাব)-কে বিলুপ্ত না করে আধুনিক
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ এক নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ে পদার্পণ করলেও, নবনির্বাচিত সরকারের জন্য মসৃণ পথের চেয়ে কাঁটা বিছানো চ্যালেঞ্জই বেশি দৃশ্যমান বলে মনেকরি।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১২ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ১৮৩ জন ভোটারের রায়ে নির্ধারিত হবে বাংলাদেশের আগামীর পথ। প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের এই নির্বাচনে প্রায় ১০ কোটি স্মার্টফোন ব্যবহারকারীকে
বাংলাদেশে বর্তমানে ৭ কোটিরও বেশি মানুষ সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয়, যা প্রযুক্তির এক বিশাল জয়যাত্রা। কিন্তু এই অগ্রগতির সমান্তরালে হানা দিয়েছে ‘ডিপফেক’ নামক এক ভয়ংকর ডিজিটাল ভাইরাস।