
১
২০২২ সালের শেষভাগে ইসরাইলে কট্টর ডানপন্থী সরকার গঠনের সময় ইতামার বেন-গভিরকে একজন ‘বিচ্ছিন্ন উগ্রবাদী’ বা ‘রাজনৈতিক সার্কাসের জোকার’ মনে করা হলেও ২০২৬ সালে এসে সেই দাবি সম্পূর্ণ ধোপে টেকে না। ইউরোপীয় মানবাধিকার কর্মীদের প্রকাশ্য হেনস্তা, ফিলিস্তিনি বন্দীদের অনাহারে রাখা ও যৌন নির্যাতনের পক্ষে সাফাই গাওয়া এবং মৃত্যুদণ্ড বিল পাসের পর তার শ্যাম্পেন উৎসব মূলত একটি সুগভীর প্রাতিষ্ঠানিক রূপান্তরের বহিঃপ্রকাশ। প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডিয়ন সার আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বেন-গভিরকে ‘ইসরাইলের প্রতিচ্ছবি নন’ বলে একটি চতুর ঢাল হিসেবে ব্যবহার করলেও এটি তাদের সুবিধাবাদী রাজনীতি মাত্র। নিজের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে নেতানিয়াহুই উগ্রপন্থী ‘জিউইশ পাওয়ার পার্টি’র এই নেতাকে দেশের ‘জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী’ বানিয়েছেন এবং লিকুদ পার্টির পুরো সরকার এখন তারই কাঁধে ভর করে টিকে আছে। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, বেন-গভিরের এই কর্মকাণ্ড কি কেবলই একজন ব্যক্তির উগ্রতা, নাকি এই বর্বর মানসিকতাই এখন ইসরাইল রাষ্ট্রের অলিখিত মূল নীতিতে পরিণত হয়েছে?
নেসেট সদস্য আয়দা তৌমা-স্লিমানের মতে, বেন-গভির একা এসব করছেন না; বরং ইসরাইলের পুলিশ ও কারাপ্রধানদের মতো রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর গভীর প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতাতেই এই বর্ণবাদী এজেন্ডা বাস্তবায়িত হচ্ছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর থেকে পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারীদের হাতে ঢালাওভাবে অস্ত্র তুলে দেওয়া কোনো বিচ্ছিন্ন মন্ত্রীর খামখেয়ালি নয়, এটি রাষ্ট্রীয় মদদে পদ্ধতিগত জাতিগত নিধনের এক প্রাতিষ্ঠানিক রূপান্তর। ভোট বিশ্লেষক ডালিয়া শিন্ডলিনের তথ্যমতে, বেন-গভিরের রাজনৈতিক অবস্থান লিকুদ পার্টির নেতাদের চেয়ে আলাদা নয়; পার্থক্য শুধু লিকুদ নেতারা যা গোপনে করেন, বেন-গভির তা প্রকাশ্যে দম্ভভরে করেন। বর্তমান ইসরাইলি সমাজের একটি বড় অংশ এখন চরম শক্তিপ্রয়োগ ও ফিলিস্তিনিদের চূড়ান্ত অপমান করাকেই সমর্থন করে এবং গাজায় গণহত্যা টিকিয়ে রাখার হুমকিতে বেন-গভিরকে বীরের মর্যাদা দেয়। ড্যানিয়েল লেভির মতো বিশ্লেষকেরা ঠিকই ধরেছেন, পশ্চিমা মোড়কে ঢাকা তথাকথিত গণতান্ত্রিক ইসরাইলের মুখোশটি খুলে দিয়ে বেন-গভির আজ প্রমাণ করেছেন যে, ফ্যাসিবাদ ও বর্বরতা এখন স্বয়ং ইসরাইল রাষ্ট্রেরই মূল নীতি।
২
‘বিচ্ছিন্ন চরিত্র’ বনাম ‘ভেতরের সত্য’: নেতানিয়াহুর সুবিধাবাদী রাজনীতি।
ইসরাইলের উগ্র ডানপন্থী রাজনীতি ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো আড়াল করতে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে একটি চতুর ঢাল ব্যবহার করে আসছেন। কট্টরপন্থী নেতা ইতামার বেন-গভিরের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড এবং ইউরোপীয় আন্দোলনকর্মীদের উপহাস করার ঘটনায় বৈশ্বিক নিন্দা ও ক্ষোভ বাড়লে ইসরাইল সরকার তাকে ‘বিচ্ছিন্ন চরিত্র’ হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করে। এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এই পুরো ঘটনাকে ইসরাইলের ‘মূল্যবোধ ও রীতিনীতির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়’ বলে দাবি করেন। অন্যদিকে, দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডিয়ন সার আরও এক ধাপ এগিয়ে নিজ মন্ত্রিসভার এই সদস্যের বিরুদ্ধে বিবৃতি দিয়ে সাফ জানিয়ে দেন যে, বেন-গভির মূলত ‘ইসরাইলের প্রতিচ্ছবি নন’ এবং তিনি জেনেশুনেই রাষ্ট্রের ক্ষতি করছেন। বেন-গভিরকে এভাবে সরকার থেকে আলাদা করে দেখানোর মূল উদ্দেশ্য হলো বিশ্বজুড়ে চলা তীব্র সমালোচনাকে স্তিমিত করা। পিউ রিসার্চের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের তুলনায় ২০২৬ সালে ইসরাইল সম্পর্কে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নেতিবাচক মনোভাব আরো বেড়েছে। অথচ এভাবেই ইসরাইলের প্রধান মিত্র যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন পশ্চিমা দেশ ও বহুজাতিক কোম্পানিগুলো মানবাধিকারের বুলি আউড়েও তাদের সাথে নির্বিঘ্নে বাণিজ্য ও অস্ত্র সরবরাহ চালিয়ে যাওয়ার একটি অজুহাত বা সুযোগ পেয়ে যায়।
বেন-গভিরকে সরকারের বাইরে ‘বিচ্ছিন্ন’ দেখানোর চেষ্টা করা হলেও বাস্তবতা হলো, তাকে ইসরাইলি পার্লামেন্ট নেসেটে নিয়ে আসার মূল কারিগর স্বয়ং নেতানিয়াহু। ২০২১ ও ২০১৯ সালের পর উগ্রপন্থী ‘জিউইশ পাওয়ার পার্টি’র নেতা বেন-গভির এবং বেজালেল স্মোট্রিচের মধ্যে একটি জোট গঠনে সরাসরি সহায়তা করেছিলেন নেতানিয়াহু নিজেই। পরবর্তীতে তাদের এই জোটটি পার্লামেন্টের তৃতীয় বৃহত্তম শক্তিতে পরিণত হয় এবং নেতানিয়াহুর ক্ষমতাসীন জোট সরকারকে টিকিয়ে রাখতে প্রধান ভূমিকা পালন করে। নিজের প্রধানমন্ত্রিত্বের ক্ষমতা ধরে রাখার সুবিধাবাদী রাজনীতি থেকে নেতানিয়াহু এই চরমপন্থী নেতাকে দেশের ‘জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী’র মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পণ করেন। ২০২২ সালে এই দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে বেন-গভির মূলত পুলিশ প্রশাসন ও কারাগারের ওপর একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে নিজের কট্টর ডানপন্থী আদর্শ বাস্তবায়ন করছেন। ফিলিস্তিনি বন্দীদের অনাহারে রাখা, নির্যাতন ও ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্য করে মৃত্যুদণ্ড বিল পাসের মতো বর্বর মানসিকতার পেছনে মূলত পুরো ইসরাইলি প্রশাসনের প্রচ্ছন্ন সহযোগিতা রয়েছে। আসলে বেন-গভির কোনো একক বিচ্ছিন্ন রাজনৈতিক সত্তা নন, বরং তিনি বর্তমান ইসরাইলি সমাজেরই একটি ক্রমবর্ধমান প্রভাবশালী অংশের প্রকৃত প্রতিচ্ছবি।
৩
প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা: যখন রাষ্ট্র নিজেই উগ্রপন্থার হাতিয়ার।
ইসরাইলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের চরমপন্থী কর্মকাণ্ড কোনো একক ব্যক্তির খামখেয়ালি নয়, বরং এর পেছনে রয়েছে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর গভীর প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা। বামপন্থী ‘হাদাশ’ পার্টির নেসেট সদস্য আয়দা তৌমা-স্লিমান এই সত্যটি উন্মোচন করে বলেন যে, বেন-গভির একা এসব করছেন না; বরং অন্য রাজনীতিবিদ ও সরকারি কর্মকর্তাদের সাহায্যেই তিনি এটি করছেন। যদি ইসরাইলের পুলিশ বাহিনী কিংবা কারাপ্রধানেরা বলতেন যে তারা বন্দীদের ওপর অনাহার, নির্যাতন, যৌন হেনস্তা বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহার মেনে নেবেন না, তবে বেন-গভিরের পক্ষে এমন বর্বরতা চালানো সম্ভব হতো না। কিন্তু বাস্তবতা হলো, ২০২২ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তিনি পুলিশ ও কারাগারের ওপর একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছেন। যখন একটি দেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও কারাকর্তৃপক্ষ একজন উগ্রবাদীর বর্ণবাদী এজেন্ডা বাস্তবায়নে বাধ্যগতভাবে কাজ করে, তখন স্পষ্ট হয়ে যায় যে সেই উগ্রতা আজ রাষ্ট্রের মজ্জায় মিশে গেছে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামাসের হামলার পর থেকে ইতামার বেন-গভিরের সরাসরি তত্ত্বাবধানে অধিকৃত পশ্চিম তীরে এক বিপজ্জনক ও উসকানিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়। সেখানে ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের হাতে ঢালাওভাবে বন্দুক ও স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের লাইসেন্স তুলে দেওয়া হয়েছে, যা ফিলিস্তিনিদের ওপর প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এটি কোনো বিচ্ছিন্ন মন্ত্রীর খামখেয়ালি সিদ্ধান্ত ছিল না, বরং এটি ছিল ফিলিস্তিনিদের ওপর রাষ্ট্রীয় মদদে পদ্ধতিগত নির্যাতন ও জাতিগত নিধনের এক প্রাতিষ্ঠানিক রূপান্তর। এমনকি ফিলিস্তিনি বন্দীদের কোনো অভিযোগ ছাড়াই আটকে রেখে তাদের শোচনীয় অবস্থাকে আরও ভয়াবহ করে তোলার বিষয়টি বেন-গভির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দম্ভভরে প্রচার করেছেন। ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্য করে একটি মৃত্যুদণ্ড বিল পাসের পর শ্যাম্পেনের বোতল হাতে তার আনন্দ উদ্যাপনের ভিডিও বিশ্বজুড়ে তীব্র নিন্দার ঝড় তুলেছে। এই সমস্ত ঘটনাই প্রমাণ করে যে, ইসরাইলের পুলিশ ও বিচারব্যবস্থা আজ উগ্র ইহুদি শ্রেষ্ঠত্ববাদী আদর্শ বাস্তবায়নের প্রধান হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে।
৪
উগ্র ইহুদি শ্রেষ্ঠত্ববাদ: সমাজের ক্রমবর্ধমান প্রতিচ্ছবি।
ইসরাইলি ভোট বিশ্লেষক ডালিয়া শিন্ডলিনের মতে, বাস্তবিকভাবে জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের রাজনৈতিক অবস্থান ক্ষমতাসীন লিকুদ পার্টির অনেক নেতার চেয়ে খুব একটা বেশি চরমপন্থী বা আলাদা নয়। লিকুদ পার্টির শীর্ষ নেতারা ফিলিস্তিনিদের প্রতি যে দমনমূলক নীতিগুলো কূটনীতির মোড়কে বা আড়ালে গোপনে করেন, বেন-গভির ঠিক সেই কাজগুলোই ক্যামেরার সামনে প্রকাশ্যে দম্ভভরে করে থাকেন। ২০২২ সালে কট্টর ডানপন্থী দল ‘রিলিজিয়াস জায়োনিস্ট পার্টি’র নেতা বেজালেল স্মোট্রিচ এবং বেন-গভিরের উগ্রপন্থী জোটটি পার্লামেন্টে তৃতীয় বৃহত্তম শক্তিতে পরিণত হওয়ার পর থেকেই তারা বর্তমান নেতানিয়াহু সরকারের চরমপন্থী আদর্শের প্রধান মুখ হয়ে উঠেছেন।
বর্তমান ইসরাইলি সমাজের একটি ক্রমবর্ধমান প্রভাবশালী ও বড় অংশ এখন উগ্র ডানপন্থী ইহুদি শ্রেষ্ঠত্ববাদী রাজনীতিকেই নিজেদের প্রকৃত প্রতিনিধি মনে করে। বিশ্লেষক ডালিয়া শিন্ডলিনের তথ্যমতে, বেন-গভিরের সমর্থকেরা বিশ্বাস করে যে ফিলিস্তিনি হুমকি মোকাবিলা করার একমাত্র উপায় হলো চরম শক্তিপ্রয়োগ এবং তাদের চূড়ান্তভাবে অপমান-অপদস্থ করা। গাজায় গণহত্যার তীব্রতা কমানোর কোনো লক্ষণ বা আন্তর্জাতিক প্রস্তাব দেখা দিলেই বেন-গভির ক্ষমতাসীন জোট সরকার পতনের হুমকি দেন, অথচ ইসরাইলের ভেতরের উগ্র সমাজ এই বর্বর মানসিকতার জন্য তাকে উল্টো বীরের মর্যাদা দেয়।
ইসরাইল সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড্যানিয়েল লেভি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সামনে এনে মে মাসে ‘সুমুদ’ (Sumud) আন্দোলনকর্মীদের ওপর ইসরাইলি হেফাজতে হওয়া ভয়াবহ নির্যাতনের প্রসঙ্গটি উল্লেখ করেন। পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো এই ফ্লোটিলা সদস্য ও ইউরোপীয় ত্রাণকর্মীদের ওপর হওয়া পদ্ধতিগত নির্যাতনকে বড় করে না দেখিয়ে, বিষয়টিকে কেবল ‘বেন-গভিরের উসকানিমূলক ভিডিও পোস্ট’ ও তার কথা বলার ধরনের বিতর্ক হিসেবে আড়াল করেছে। অথচ মূল সত্যটি হলো, ইসরাইল রাষ্ট্র এখন আন্তর্জাতিক আইন, মানবাধিকার বা ন্যূনতম নৈতিকতার তোয়াক্কা না করে ক্ষমতার চূড়ান্ত বর্বরতাকেই তাদের প্রধান রাষ্ট্রীয় নীতি হিসেবে গ্রহণ করেছে।
৫
ইতামার বেন-গভিরের চরমপন্থা কোনো বিকারগ্রস্ত ব্যতিক্রম নয়, বরং এটি পশ্চিমা মোড়কে ঢাকা তথাকথিত গণতান্ত্রিক ইসরাইলের আসল ফ্যাসিবাদী রূপকে বিশ্বমঞ্চে উন্মোচিত করেছে। এই পরিস্থিতিতে বিশ্বরাজনীতি ও মানবাধিকারের অস্তিত্ব রক্ষায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য সুনির্দিষ্ট কিছু ভবিষ্যৎ করণীয় অবধারিত হয়ে পড়েছে। প্রথমত, পশ্চিমা পরাশক্তি ও বহুজাতিক কোম্পানিগুলোকে দ্বিমুখী নীতি পরিহার করে ইসরাইলের সাথে সমস্ত সামরিক ও অর্থনৈতিক বাণিজ্য অবিলম্বে সম্পূর্ণ স্থগিত করতে হবে। দ্বিতীয়ত, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ ও আন্তর্জাতিক বিচার আদালতকে কেবল কাগুজে প্রস্তাব পাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে, পশ্চিম তীরে রাষ্ট্রীয় মদদে অস্ত্র বিতরণ ও ফিলিস্তিনি বন্দীদের ওপর পদ্ধতিগত নিধন বন্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে হবে। তৃতীয়ত, বৈশ্বিক গণমাধ্যমগুলোকে উগ্রবাদীদের ‘ভিডিও পোস্টের বিতর্ক’ দিয়ে মূল অপরাধ আড়াল করার প্রলেপ বন্ধ করে মাঠপর্যায়ের বাস্তব বর্বরতাকে সাহসের সাথে তুলে ধরতে হবে। আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের কার্যকারিতা ফিরিয়ে আনতে বিশ্বনেতাদের এখনই কঠোর আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে; অন্যথায় এই প্রাতিষ্ঠানিক বর্বরতা সমগ্র বিশ্বব্যবস্থাকে এক অন্ধকার ও চিরস্থায়ী ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেবে।
-----------------------------
©সুমন সুবহান
মিরপুর ডিওএইচএস, ঢাকা
৭ জুন ২০২৬