কবিতা ও আবৃত্তির এক অনন্য সংকলন। এখানে শব্দের ঝংকারে হৃদয়ের অনুভূতিগুলো প্রাণ পায় সুরের মূর্ছনায়।

"নির্জনতার নীল ক্যাফেইন" কবিতাটি মূলত একবিংশ শতাব্দীর নাগরিক প্রেম, নীরব দূরত্ব এবং আধুনিক একাকীত্বের এক পরাবাস্তব মনস্তাত্ত্বিক আখ্যান। চৈত্রের প্রখর রোদের সমান্তরালে কফিশপের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত নিস্তব্ধতা আর কফির পাতলা ধোঁয়ায় এখানে মিশে গেছে এক যুগলের না-বলা কথা ও অবাধ্য বিচ্ছেদ। লা সেনজা, ফেন্ডি কিংবা বুদ্ধদেবের উপন্যাসের উপমার আড়ালে কবি আসলে এক গভীর শূন্যতা আর সম্পর্কের শীতল বাস্তবতাকে স্পর্শ করতে চেয়েছেন। বিশিষ্ট আবৃত্তিশিল্পী মাহবুবুর রহমান টুনু-র দরাজ, গম্ভীর ও ভরাট কণ্ঠের জাদুকরী উপস্থাপনা কবিতাটির প্রতিটি পঙ্ক্তিকে আরও বেশি জীবন্ত ও মায়াবী করে তুলেছে। যান্ত্রিক শহরের বুকে সম্পর্কের এই বিষাদময় রূপান্তরকে অনুভব করতে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
স্বপ্ন হয়ে ছুঁই
ভিউস: ৪

"ফেরত টিকিট" কবিতাটি মূলত জীবনের চেনা বৃত্তে বন্দি এক মধ্যবিত্ত আত্মার আর্তনাদ, যেখানে বেঁচে থাকার যান্ত্রিকতা আর না-বলা স্বপ্নের টানাপোড়েন রূপক হয়ে ধরা দিয়েছে বন্ধু ‘নিখিল’-এর কাছে। লেটার প্রেসের কালি, অন্তহীন দেনা আর নিয়মের বেড়াজালে পিষ্ট এক মানুষ যখন জীবনের ওপার থেকে নিজেকে দেখার আকুতি জানায়, তখনই কবিতার প্রতিটি শব্দ জীবন্ত হয়ে ওঠে। নিখিল হয়তো চিরতরে মুক্ত, কিন্তু কবি চান এমন এক মৃত্যুর নিশ্চয়তা, যা তাকে আবার ফিরিয়ে আনবে ভালোবাসার চেনা ঘ্রাণে। যান্ত্রিক জীবনের ক্লান্তি আর অপূর্ণ চাহিদার এই মনস্তাত্ত্বিক আখ্যানকে জনপ্রিয় আবৃত্তিশিল্পী মাহবুবুর রহমান টুনু তার দরাজ কণ্ঠে আবৃত্তি আকারে সাজিয়েছেন। আশাকরি, ব্যস্ততার আড়ালে হারিয়ে যাওয়া প্রতিটি সংবেদনশীল মনকে এই কবিতাটি স্পর্শ করবে।
নক্ষত্র ভেজা দিন
ভিউস: ২

"সব হারানোর সুখ" কবিতাটি মূলত দুটি ভিন্ন জীবনের বিপরীতমুখী বাস্তবতা, নীরব আত্মত্যাগ এবং সুগভীর বিষাদের ভেতর পরম প্রাপ্তি খুঁজে পাওয়ার এক কাব্যিক দলিল। একদিকে প্রিয় মানুষের উপচে পড়া সাজানো সংসার আর চোখের কোণে জমে থাকা কিছু না-বলা মেঘ, অন্যদিকে কবির বাউন্ডুলে জীবন—যেখানে নদীর মতো আছড়ে পড়ে দুঃখের ঢেউ, আর বুকের গহীনে একা কাঁদে একলা কোনো ডাহুক। তবুও এই বৈষম্য বা শূন্যতায় কোনো ক্ষোভ নেই; বরং প্রিয়জনের সুখে দূর থেকে তৃপ্ত থাকা আর দীঘির জলে ঝরে পড়া হিজল ফুলের মতো নিজেকে নিভৃতে বিসর্জন দেওয়ার মাঝেই কবি খুঁজে নেন তাঁর আত্মিক মুক্তির আনন্দ। ত্যাগের এই করুণ ও সুন্দর রূপকে বিশিষ্ট আবৃত্তিশিল্পী মাহবুবুর রহমান টুনু তাঁর সুগভীর, গম্ভীর ও বিষাদময় উচ্চারণে অত্যন্ত সংবেদনশীলভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। সব হারিয়েও নিঃশব্দে ভালোবেসে যাওয়ার এই নীরব মাধুর্য স্পর্শ করে যাক প্রতিটি ব্যাকুল মন।
স্বপ্ন হয়ে ছুঁই
ভিউস: ৩

"আমি একদিন" কবিতাটি মূলত ব্যাকুল প্রেম, আত্মনিবেদন এবং প্রিয় মানুষের অনুভূতির ক্যানভাসে নীরবে বিলীন হয়ে যাওয়ার এক অসামান্য কাব্যিক আখ্যান। প্রিয়তমার সান্নিধ্য আর তার জগতের অংশ হওয়ার আকুতিতে কবি যেন প্রকৃতির রূপক হয়ে উঠতে চান—কখনও বারান্দার কোণে নীরবে দাঁড়িয়ে থাকা শিরীষ গাছ, ঠোঁটে ঝরে পড়া অবাধ্য বৃষ্টি, অন্ধকারের বুক চিরে আলো জ্বালানো জোনাকি, কিংবা আশ্বিনের রুপালি জোছনা। কিন্তু প্রকৃতির সব বৈচিত্র্য পার হয়ে সবশেষে কবি হতে চান সেই বিবাগী যুবক, যে প্রিয় মানুষের বুকের গহীন কষ্টগুলোকে ছুয়ে ভালোবাসার ঘরপালানো সুর খুঁজে নেয়। ব্যাকুলতা আর আত্মত্যাগের এই গাঢ় অনুরাগকে জনপ্রিয় আবৃত্তিশিল্পী মাহবুবুর রহমান টুনু তাঁর দরদী, আবেগময় ও সাবলীল কণ্ঠে এক মায়াবী রূপ দিয়েছেন। হৃদয়ের গহীন আকুতি আর বিবাগী অনুভূতির এই মায়াবী রূপান্তরের সাথে কাটুক আপনার কিছুটা একাকী সময়।
স্বপ্ন হয়ে ছুঁই
ভিউস: ২

"আমার বন্ধু মাহফুজ" কবিতাটি মূলত দীর্ঘদিনের সখ্য, স্মৃতির মায়াজাল আর মানুষের অন্তরের গহীনে লুকিয়ে থাকা এক অচেনা সত্তার কাব্যিক ব্যবচ্ছেদ। কবিতা আবৃত্তির থমথমে গম্ভীর গলার সুর, ক্যানভাসে রং-তুলির লুকোচুরি, সিগেরেটের ধোঁয়ার কুণ্ডলী কিংবা নেরুদা, আরজ আলী মাতুব্বর ও আহমেদ ছফাকে নিয়ে অন্তহীন আড্ডার চেনা মেজাজ—সবকিছুর মাঝেও কবি এক অদ্ভুত শূন্যতা অনুভব করেন। বন্ধু মাহফুজের বাহ্যিক অজস্র অভ্যাসের সাথে পরিচয় থাকলেও তার ভেতরের আসল মানুষটা যেন চিরকাল অধরাই থেকে যায়। মানুষের মনোজগতের এই মনস্তাত্ত্বিক জটিলতা ও নস্টালজিয়াকে বিশিষ্ট আবৃত্তিশিল্পী মাহবুবুর রহমান টুনু তাঁর বিষাদময়, গম্ভীর ও সুগভীর উচ্চারণে অত্যন্ত আবেগঘনভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। সখ্যের আড়ালে লুকিয়ে থাকা সেই অচেনা মানুষের গল্প আর গভীর অনুভূতির ছোঁয়া পেতে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
স্বপ্ন হয়ে ছুঁই
ভিউস: ২

"সহযাত্রী" কবিতাটি ট্রেনের কামরায় অচেনা মানুষের সঙ্গ, সাহিত্যের আড্ডা আর ক্ষণিকের আবেশে মন হারানোর এক মুগ্ধকর ভ্রমণকাহিনী। এক যাত্রায় কখনো গাম্ভীর্যের নীরবতা, কখনো প্রাণবন্ত ক্ষ্যাপাটে কোনো আড্ডাবাজ, আবার কখনো ‘মাটিবালা’ নামের কোনো অচেনার সুবাস ছড়িয়ে থাকা রূপসী—সব মিলিয়ে এক অনন্য জীবনচিত্র। হাতের ‘ধূসর পাণ্ডুলিপি’ আর ফেলে যাওয়া শূন্যতার মাঝে জীবনের বিচিত্র অভিজ্ঞতাকে আবৃত্তিশিল্পী মাহবুবুর রহমান টুনু তাঁর সুগভীর ও প্রাণবন্ত কণ্ঠে ফুটিয়ে তুলেছেন। পথচলতি এই ক্ষণিকের মায়াজাল আর অনুভূতির গল্পটি ছুঁয়ে দেখতে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
জলের কাছে যাবো
ভিউস: ৩

"আমি আর নিরুদ্দেশ হইনা" কবিতাটি মূলত হারানো প্রেম, অনুশোচনা আর চিরস্থায়ী বিরহের করুণ গাথা। এক জোছনার রাতে বাউন্ডুলেপনা ছেড়ে ফিরে এসে কবি দেখেন তাঁর ভালোবাসার গোলাপটি আজ অন্য কারও ফুলদানিতে সাজানো শোভা। নিজের অবহেলায় প্রিয়সীকে হারানোর পর নিঃশব্দে জানালার শার্সি কিংবা বেলকনির দিকে অপলক তাকিয়ে থাকে কবির চাতক হৃদয়। আগের সেই ভবঘুরে দস্যিপনা কিংবা নিরুদ্দেশ হওয়া আজ একপ্রকার থেমে গেছে পরিবারের চোখে শান্ত-সুবোধ ছেলে সেজে। তবে প্রিয়াকে ছুঁতে না পারার যন্ত্রণায় একলা কবির হৃদয়ে আজও বয়ে চলে বোশেখের প্রখর রোদ আর হেমন্তের ফিনফিনে বাতাসের বিষাদময় বিরহ। আবৃত্তিশিল্পী মাহবুবুর রহমান টুনু তাঁর সুগভীর কণ্ঠে হারানো সম্পর্কের এই প্রগাঢ় হাহাকারকে অনন্য রূপ দিয়েছেন। অতীতের ভুল আর অন্যের সাজানো আলোয় নিজের অন্ধকারের গল্পটি অনুভব করতে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
নক্ষত্র ভেজা দিন
ভিউস: ১

"শুভাগত আমার বন্ধু" কবিতাটি কৈশোরের স্মৃতিকাতরতা, হারানো দিন আর পুরনো সম্পর্কের রূপকথা। নীল ক্যাম্বিসের ব্যাগ পিঠে সাইকেল চালিয়ে স্কুলে আসা বন্ধু শুভাগতর স্মৃতি দিয়ে শুরু হয় শৈশবের চেনা ক্যানভাস। হঠাৎ ‘পায়রা চত্বরে’ চার ক্লাস নিচে পড়া সেই ছোট বোন থেকে আজকের রাঙা বউদি হয়ে ওঠা প্রিয়ার দেখা মেলায় জেগে ওঠে স্মৃতির ঝাঁপি। মাসিমার পাশে ঘুরঘুর করা কিংবা ছুটির দিনে তাকে নিয়ে বন্ধুদের ক্ষ্যাপানোর সেই মধুর দিনগুলো আজও বড় বেশি জীবন্ত। সময়ের আবর্তে সবাই বদলে গেলেও স্মৃতিগুলো যেন থেকে যায় ঠিক আগের মতোই স্নিগ্ধ ও অমলিন। অতীতের বন্ধুতা আর শৈশবের চেনা মুখগুলোর এই সুন্দর স্মৃতিকথাকে আবৃত্তিশিল্পী মাহবুবুর রহমান টুনু তাঁর সুগভীর কণ্ঠে অনন্য রূপ দিয়েছেন। কৈশোরের স্মৃতির অমলিন সুর আর হারানো দিনের গল্প অনুভব করতে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
জুলাইয়ের রাজপথ
ভিউস: ১