কবিতা ও আবৃত্তির এক অনন্য সংকলন। এখানে শব্দের ঝংকারে হৃদয়ের অনুভূতিগুলো প্রাণ পায় সুরের মূর্ছনায়।

বুকের ভেতর চেপে রাখা গভীর কান্না আর প্রকৃতির হাজারো অনুষঙ্গে নীরব উপস্থিতির আড়ালে নিজেকে 'ভালো' রাখার এক আচ্ছন্ন কাব্যিক দলিল "আমি ভালো আছি" কবিতাটি। অকস্মাৎ দেখা হয়ে গেলেও ক্ষতচিহ্ন খুঁড়ে ‘কেমন আছি’ না জিজ্ঞেস করার আকুল আর্জি নিয়ে শুরু হয় এই আত্মকথন—যেখানে চোখের কোণে জমে থাকা নীরব বাষ্পই বলে দেয় ছদ্মবেশী ভালো থাকার আসল সত্য। শ্রাবণের বৃষ্টি, হেমন্তের শুকনো পাতার মর্মর ধ্বনি, কিংবা বসন্ত বৌরির করুণ ডাক—সবকিছুর মাঝে নিজেকে বিলীন করে শূন্যতার গর্ভে থিতু হওয়ার এই বিবাগী যন্ত্রণাকে আবৃত্তিশিল্পী ফারহানা তৃণা তাঁর সুগভীর, দরাজ ও বিষাদময় উচ্চারণে পরম মমতায় ফুটিয়ে তুলেছেন। উপরে ভালো থাকার ভান আর গভীরে তিল তিল করে ক্ষয়ে যাওয়ার এই মায়াবী অনুভূতির মুখোমুখি হতে উপভোগ করুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
বন্ধনহীন গ্রন্থি
ভিউস: ০

"শেষের খুব কাছে" কবিতাটি বুকের ভেতর জমে থাকা ক্ষোভ আর বিষাক্ত তিক্ততার মুখোমুখি হয়ে সম্মানের সাথে সম্পর্কের ইতি টানার এক পরিণত উচ্চারণ। পাশাপাশি পথ হেঁটেও মন ছুঁতে না পারার ব্যর্থতা, শব্দের অপমৃত্যু এবং অহেতুক দোষারোপের আগেই কবি বেছে নিয়েছেন আত্মমর্যাদাপূর্ণ এক বিচ্ছেদ। এক আকাশের নিচে না থেকে ছাদ বদলে ফেলার এই কঠিন সিদ্ধান্তে যেমন আছে দূরত্বের টান, তেমনি ভবিষ্যৎ দেখা হওয়ার দিনেও ঘৃণা এড়িয়ে অন্তত সামান্য খবরের খোঁজ নেওয়ার ব্যাকুলতা। বিষাদময় এই সত্যের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আবৃত্তিশিল্পী পৃথা তাঁর সুগভীর, দরাজ ও দরদী কণ্ঠে ভাঙনের এই মুহূর্তকে এক মায়াবী রূপ দিয়েছেন। সম্পর্কের ক্ষয়ে যাওয়া আর শ্রদ্ধাপূর্ণ বিদায়ের এই করুণ অনুভূতি হৃদয়ে অনুভব করতে কান পাতুন সম্পূর্ণ পরিবেশনায়।
বন্ধনহীন গ্রন্থি
ভিউস: ০

"শেষের খুব কাছে" কবিতাটি মূলত তিক্ততা আর ভুল বোঝাবুঝির দেয়াল টপকে এক অমলিন শ্রদ্ধাবোধ নিয়ে দূরে সরে যাওয়ার এক প্রাপ্তবয়স্ক কাব্যিক বিদায়গাথা ‘শেষের খুব কাছে’ কবিতাটি। কথার দেউলেপনা, অহেতুক হিংসা আর মিথ্যার খোলস ছেড়ে 'রওনক' চরিত্রের উদ্দেশ্যে লেখা এই আখ্যানে কবি উপলব্ধি করেছেন সম্পর্কের ইতি টানার রূঢ় সত্যকে। পরম মমতায় পথ আলাদা করে নেওয়ার এই ব্যাকুল আকুতি—যেন ভবিষ্যতে হঠাৎ দেখা হলেও মুখের বদলে ঘৃণা না ফুটে ওঠে, বরং থেকে যায় খবরের খোঁজ নেওয়ার ন্যূনতম সৌজন্য। ছাদ আর আকাশ বদলে যাওয়ার এই কঠিন বাস্তবতাকে আবৃত্তিশিল্পী নুসরাত রাইসা তাঁর গম্ভীর, সুগভীর ও সংবেদনশীল উচ্চারণে এক অসামান্য মাত্রা দিয়েছেন। ভাঙনের তীব্র যন্ত্রণার মাঝেও এই শ্রদ্ধাপূর্ণ বিচ্ছেদের অনুভূতিকে নিজের গভীরে ধারণ করতে শুনতে পারেন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
বন্ধনহীন গ্রন্থি
ভিউস: ০

"সুতোর প্রান্তে দাঁড়িয়ে" কবিতাটি অসমাপ্ত পরিণতি জেনেও প্রাত্যহিক ছোট ছোট সুতোয় মন বাঁধার এক অম্লমধুর প্রেমগাথা। মুঠোফোনের আলোয় ভেসে ওঠা গভীর রাতের ফিসফিসানি, সকালের চায়ের কাপে জমতে থাকা খুদেবার্তা, কিংবা বসের ওপর হালকা রাগের ভাগ বাঁটোয়ারা—প্রতিটি মুহূর্তে মিশে ছিল ভালোবাসার এক স্বর্গীয় আবেশ। কোনো ভবিষ্যৎ কিংবা সফল সমাপ্তি নেই জেনেও ভেজা বালিশ আর নিঝুম দেয়াল ঘড়িকে গোপনে সাক্ষী রেখে, এক সুতোর ঝুলন্ত ডগায় দাঁড়িয়ে একে অপরকে ভালোবেসে যাওয়ার এই করুণ ব্যাকুলতাকে আবৃত্তিশিল্পী পৃথা তাঁর দরদী ও সুগভীর উচ্চারণে অত্যন্ত সংবেদনশীলভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। নিশ্চিত বিচ্ছেদের মুখেও বেঁচে থাকা সেই না-ভোলা অনুভূতির গভীরে ডুব দিতে উপভোগ করুন এই আবৃত্তিটি।
জলের কাছে যাবো
ভিউস: ০

অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ জেনেও প্রাত্যহিক ক্ষুদ্র মায়ায় জড়িয়ে থাকা এবং কাঁচের দেয়ালের মতো ভঙ্গুর এক প্রেমের নিখুঁত দলিল "সুতোর প্রান্তে দাঁড়িয়ে" কবিতাটি। মুঠোফোনের পর্দায় দৈনন্দিন জীবনের খুঁটিনাটি গল্প, খুদেবার্তার ওমে ঘেরা সকাল, কিংবা টেকো বসকে নিয়ে জমে ওঠা খুনসুটি—সবকিছুর আড়ালে লুকিয়ে ছিল না-পাওয়ার সুগভীর এক ব্যাকুলতা। বিচ্ছেদের পরিণতি স্পষ্ট জেনেও ভেজা বালিশ আর রাতজাগা দেয়াল ঘড়িকে সাক্ষী রেখে এক সুতোর প্রান্তে দাঁড়িয়ে ভালোবেসে যাওয়ার এই করুণ মিষ্টি অনুভূতিকে আবৃত্তিশিল্পী নুসরাত রাইসা তাঁর দরাজ, দরদী ও সুগভীর কণ্ঠের উচ্চারণে এক অনন্য মায়াজালে রূপ দিয়েছেন। অসমাপ্ত প্রেমের এই আকুল কাব্যিক সফরের অনুভূতি হৃদয়ে ধারণ করতে আমন্ত্রিত আপনি।
জলের কাছে যাবো
ভিউস: ২

"বিদায়! নাকি প্রস্থান!" কবিতাটি হঠাৎ বিচ্ছেদ, না-বলা অভিমান এবং স্মৃতির জঞ্জাল আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকার আকুল যন্ত্রণার এক করুণ কাব্যিক জিজ্ঞাসা। এক লহমায় বাঁধন ছিঁড়ে চলে যাওয়ার নিষ্ঠুরতা আর জীবনের প্রতিচ্ছবি হয়ে থাকা ঘরকন্নার টুকরো স্মৃতি—পুরোনো থালাবাটি, তোবড়ানো পাতিল, আধবোনা সোয়েটার কিংবা জানালার গরাদ—সবকিছু যেন ছেড়ে যাওয়া মানুষের স্পর্শের কথা বলে প্রশ্ন তোলে। চেনা বন্ধন ভেঙে এই অবেলার চলে যাওয়া কি কেবলই নিঃশব্দ বিদায়, নাকি আবার ফিরে আসার অদম্য কোনো সংগুপ্ত বাসনা—সম্পর্কের সেই মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েনকে আবৃত্তিশিল্পী অশোক বেপারী তাঁর বিষাদময়, গম্ভীর ও সুগভীর কণ্ঠের নিখুঁত উচ্চারণে দারুণ মায়াবী করে তুলেছেন। বিচ্ছেদের তীব্র হাহাকার আর উত্তরহীন এই প্রশ্নের মুখোমুখি হতে একান্তে কান পাতুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিতে।
বন্ধনহীন গ্রন্থি
ভিউস: ২

প্রিয় মানুষকে ফিরে পাওয়ার তীব্র ব্যাকুলতা, বিরহযাতনা আর অদম্য আত্মনিবেদনের এক মায়াবী রূপক "তোমাকে খুঁজে পেতে আমি কিনা করেছি" কবিতাটি। কিশোর রোদের দুপুর থেকে শুরু করে নিঝুম রাতের নিস্তব্ধতা, কবিতার খাতা কিংবা ভার্চুয়াল জগতের কোণ—প্রকৃতির রূপ-রস আর স্মৃতির অলিগলিতে কবি অবিরাম চষে বেড়িয়েছেন কেবল ভালোবাসার একটুখানি সান্নিধ্যের আসায়। নিজেকে বদলে ফেলা, সহস্র রাতের প্রতীক্ষা আর সব হারিয়ে শেষমেশ বাউল বাতাসের মতো একলা হয়ে যাওয়ার এই আত্মিক বিসর্জনের আখ্যানকে জনপ্রিয় আবৃত্তিশিল্পী অশোক বেপারী তাঁর দরাজ, দরদী ও সুগভীর উচ্চারণে এক অসাধারণ কাব্যিক মাত্রা দিয়েছেন। ভালোবাসার টানে নিজেকে তিল তিল করে নিঃশেষ করে দেওয়ার এই ব্যাকুল সফর অনুধাবন করতে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
বন্ধনহীন গ্রন্থি
ভিউস: ০

"তোমাকে খুঁজে পেতে আমি কিনা করেছি" কবিতাটি হারানো ভালোবাসার সন্ধানে অন্তহীন অধ্যাবসায়, ব্যাকুল প্রতীক্ষা এবং নিজেকে বদলে ফেলার এক সুগভীর আত্মনিবেদনের কাব্যিক রূপায়ণ। প্রকৃতির প্রতিটি ঋতু, নিঝুম রাত, কবিতার খাতা কিংবা আধুনিক আন্তর্জালের দুনিয়া—প্রিয় মানসীকে ফিরে পাওয়ার আকুলতায় কবি চষে বেরিয়েছেন প্রতিটি পথ। এমনকি নিজের ভুলগুলো শুধরে, রূপক ফিনিক্স পাখির মতো বারবার বেঁচে উঠে নিজেকে আমূল বদলে ফেলার গল্প ফুটে উঠেছে এই আখ্যানে। সাধনার ত্রিবেণী সঙ্গমেও মুক্তি না পেয়ে সবশেষে একাকীত্বকেই সঙ্গী করে উকিল মুন্সীর পদচিহ্ন ধরে বাউল বাতাসের মতো একলা হতে শেখার এই করুণ প্রেমগাথাকে বিশিষ্ট আবৃত্তিশিল্পী অশোক বেপারী তাঁর সুগভীর, ভরাট ও আবেগঘন কণ্ঠে জীবন্ত করে তুলেছেন। ভালোবাসার জন্য নিজেকে নিঃশেষ করে দেওয়ার এই ব্যাকুলতা ও ত্যাগের আত্মিক অনুভূতি স্পর্শ করতে একান্তে উপভোগ করুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
বন্ধনহীন গ্রন্থি
ভিউস: ১