কবিতা ও আবৃত্তির এক অনন্য সংকলন। এখানে শব্দের ঝংকারে হৃদয়ের অনুভূতিগুলো প্রাণ পায় সুরের মূর্ছনায়।

"অবহেলা" কবিতাটি অবিরাম উপেক্ষা, তীব্র অবজ্ঞা আর সেই যন্ত্রণাকে পেরিয়ে পরম প্রেমিক হয়ে ওঠার এক মহাকাব্যিক গল্প। প্রতিটি এড়িয়ে যাওয়া বার্তা বা কল বুকের পাঁজরে তীব্র ব্যথা দিলেও তা প্রেমিককে ভেঙে না ফেলে বরং রেইন লিলির মতো নতুন করে বাঁচতে শেখায়। বিয়েবাড়ির গেটে এক অভুক্ত আকুতি কিংবা মৃদু আলোয় একটু স্পর্শ পাওয়ার ব্যাকুলতা থাকলেও কদর্য মোহ ত্যাগ করে প্রেম এসেছে সিদ্ধার্থের মতো ত্যাগী ও উদার হয়ে। চিবুকের উন্মন চাহনি প্রতিনিয়ত ক্ষতবিক্ষত করলেও প্রতিটি অবহেলাই প্রেমিককে মেটামরফোসিসের মতো বারবার প্রিয়তমার কাছে ফেরার নতুন রূপ দেয়। অবজ্ঞার বিষ সয়ে নিঃস্বার্থ প্রেমিক হওয়ার এই চরম রূপান্তরকে আবৃত্তিশিল্পী মাহবুবুর রহমান টুনু তাঁর সুগভীর ও আবেগাপ্লুত কণ্ঠে ফুটিয়ে তুলেছেন। অবহেলার আগুনে পুড়ে খাঁটি প্রেমিক হয়ে ওঠার এই অনন্য কাব্যাবেশ অনুভব করতে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
এভাবেই বিষাদে, সংলাপে
ভিউস: ১

"ফিরে দেখা" কবিতাটি নগরজীবনের স্মৃতি, একটিমাত্র অনুভূতির প্রকাশ আর হৃদয়ভাঙা বিচ্ছেদের গল্প। বনানীর রাস্তায় ডেন্টিস্টের কাছে যাওয়ার তাড়ার ভিড়ে, কফিশপের মুখোমুখি বসে প্রেয়সীর মুখ থেকে শোনা প্রথম ‘ভালোবাসি’ শব্দটি কাঁপিয়ে দিয়েছিল পুরো পৃথিবী। কথা রাখার দায়ে কবি আর কখনো জানতে চাননি ভালোবাসা, কিন্তু দুশো ঊনসত্তর দিনের স্মৃতিগুলো শেষমেশ অ্যাশট্রেতে ছাই হয়ে জমা পড়ে। ডেন্টিস্ট ক্লিনিকের যান্ত্রিক ক্ষুদেবার্তা আজও আসে, কিন্তু হৃদয়ে যে গভীর ক্ষত রেখে সে চলে গেল, তার কোনো বার্তা আর ফিরে আসে না। হারিয়ে যাওয়া সেই অনন্য মুহূর্ত আর নিঃশব্দ বিচ্ছেদের আকুতিকে আবৃত্তিশিল্পী মাহবুবুর রহমান টুনু তাঁর সুগভীর ও দরদী কণ্ঠে অনবদ্য মায়ায় ফুটিয়ে তুলেছেন। স্মৃতির পাতায় জমা থাকা সেই একমাত্র 'ভালোবাসি' আর অপূর্ণতার হাহাকার অনুভব করতে একান্তে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
এভাবেই বিষাদে, সংলাপে
ভিউস: ১

"এভাবেই অপেক্ষায়" কবিতাটি নগরজীবনের ব্যস্ততায় গড়ে ওঠা ভালোবাসার অবসান আর এক অনন্ত অপেক্ষার গল্প। কফিশপের আড্ডা আর সমান্তরাল রেললাইনের পথচলা পেরিয়ে সম্পর্কের সেই মুগ্ধতা একসময় রূপ নেয় দরজা ঠেলে হারিয়ে যাওয়া নির্মম বিচ্ছেদে। মানুষ ও সময়ের সাথে সম্পর্কের রূপ বদলালেও শূন্য কফিকাপ আর গুলশান দুইয়ের ফুটপাতের হিজল গাছটির মতোই একলা থেকে যায় বিবাগী প্রেমিক মন। শহরের বুকে প্রতিদিন কত সম্পর্কের মৃত্যু ঘটে, তবু নিঃসঙ্গতার ভিড়ে ধোঁয়ার কুণ্ডলী উড়িয়ে কেউ একজন ভালোবেসে চিরকাল রয়ে যায় অপেক্ষায়। হারিয়ে যাওয়া সেই প্রেম আর এক জীবনের নিঃশব্দ অপেক্ষাকে আবৃত্তিশিল্পী মাহবুবুর রহমান টুনু তাঁর সুগভীর ও দরদী উচ্চারণে অনবদ্য মায়ায় ফুটিয়ে তুলেছেন। ভুল সময়ের বিচ্ছেদ আর দীর্ঘ অপেক্ষার এই বিষাদময় সুর অনুভব করতে একান্তে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
এভাবেই বিষাদে, সংলাপে
ভিউস: ২

"সে আমার প্রেমিকা ছিল" কবিতাটি দুশো ঊনসত্তর দিনের সম্পর্কের পরিণতিতে এক আকস্মিক বিচ্ছেদ ও নীরব বেদনার কাব্যিক আখ্যান। কফিশপের দরজা ঠেলে প্রিয়ার চলে যাওয়ার মধ্য দিয়ে একটি ভালোবাসার গল্পে নিমিষেই পড়ে যায় অনাকাঙ্ক্ষিত যতিচিহ্ন। সংযম আর নিস্পৃহতার আবরণে খাঁটি ভালোবাসা দেওয়া সত্ত্বেও শেষ রক্ষা হয়নি—সম্পর্ক ছেঁটে ফেলার নির্মম সিদ্ধান্তই মেনে নিতে হয়। বিকেলের অভিমান আর খুচরো পয়সার মতো জমা হওয়া স্মৃতিগুলো এখন কেবলই অতীত, যা থেকে যায় ভবিষ্যতের অবশর স্মৃতির খোরাক হয়ে। ভালোবেসেও দূরত্বের এই কঠিন বাস্তবতা ও আত্মসংবরণের গল্পকে আবৃত্তিশিল্পী মাহবুবুর রহমান টুনু তাঁর সুগভীর ও দরদী কণ্ঠে অনবদ্য রূপ দিয়েছেন। অসমাপ্ত প্রেম আর বিচ্ছেদের এই নিঃশব্দ সুর অনুভব করতে একান্তে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
এভাবেই বিষাদে, সংলাপে
ভিউস: ২

"একদিন ভালোবাসা" কবিতাটি দারিদ্র্যের কষাঘাত, শ্রেণি সংগ্রাম আর পরিশেষে প্রেমের নির্মম প্রতারণার এক জটিল জীবনদর্শনের আখ্যান। কোনো রক্ত মাংসের নারী নয়—কবির প্রথম প্রণয় গড়ে উঠেছিল ‘তবিল বন্দি অভাব’ ও বেঁচে থাকার সংগ্রামী বাস্তবতার সাথে। শৈশবের সেই রুক্ষতা পেরিয়ে মায়াবী চোখের নারীর দেখা মিললেও, মহাকালের পথ ধরে কবি শিখলেন—প্রতারণাই যেন ভালোবাসার আসল রূপ। নামহীন কিছু সম্পর্ক ভালোবাসার নাম দিয়ে কেবল বালিশের ভেজা কোণে আর ঝরাপাতার আর্তনাদ হয়ে বেঁচে থাকে। জীবনের এই কঠিন বাস্তবতা ও বিচ্ছেদ-বেদনাকে বিশিষ্ট আবৃত্তিশিল্পী মাহবুবুর রহমান টুনু তাঁর সুগভীর ও বিষাদময় কণ্ঠে ফুটিয়ে তুলেছেন। জীবন, সংগ্রাম ও প্রতারক প্রেমের এমন অনবদ্য প্রকাশ অনুভব করতে একান্তে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
এভাবেই বিষাদে, সংলাপে
ভিউস: ১

"অভিমান" কবিতাটি বিশ্বকবির চেনা পথগুলোর পাশাপাশি এক নাম না জানা গাঁয়ের নিখাদ ভালোবাসা আর মিষ্টি অভিমানের গল্প। শিলাইদহ, শাহজাদপুর কিংবা দক্ষিণডিহি পর্যন্ত কবিগুরুর অগাধ বিচরণ থাকলেও তিনি কখনো পা রাখেননি ‘খঞ্জনী’ নামের এই স্বর্গীয় গাঁয়ে। বউঠাকরুন নামে হাটখোলা, ‘বলাকা’ নামের টকি হাউস কিংবা ইছামতী খালের সাঁকো পেরিয়ে শান্ত মন্দিরটি যেন রবি ঠাকুরের পথ চেয়েই অপেক্ষা করে গেছে আজীবন। গাঁয়ের রূপ-রস আর মানুষের আবেগ যেন ধ্রুব সত্য হয়েও বঞ্চনার এক মিষ্টি হাহাকারে ভেসে যায় বারবার। কবিগুরুর প্রতি এক অজ পাড়াগাঁয়ের নিভৃত ভালোবাসা ও অভিমানের এই রূপকে আবৃত্তিশিল্পী মাহবুবুর রহমান টুনু তাঁর সুগভীর, দরদী ও অমলিন কণ্ঠে অসাধারণ মায়ায় ফুটিয়ে তুলেছেন। গ্রামীণ সৌন্দর্যের এ সরল আকুতি ও মিষ্টি অভিমান অনুভব করতে একান্তে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
এভাবেই বিষাদে, সংলাপে
ভিউস: ১

"ঝরাপাতার সংলাপ" কবিতাটি প্রকৃতির রূপকে নির্জন নীরবতা, বিচ্ছেদ বেদনা আর হৃদয়ের প্রচ্ছন্ন অভিমানের এক চিরন্তন আখ্যান। হেমন্তের হাওয়ায় পুরানো পাতা খসে পড়ে ঘাসের বুকে ঠাঁই নেওয়ার আড়ালে লুকিয়ে থাকে এক বেদনাময় বিদায়গাঁথা—যার খবর কখনো মাদার-বৃক্ষ কিংবা নতুন পাতার নতুন ভোরে রাখা হয় না। মানুষ মুখে যতটুকু প্রকাশ করে, অন্তরালে নিভৃতে সয়ে যায় তারচেয়েও অনেক বেশি জখম আর অনুচ্চারিত হাহাকার। ভালোবাসায় মাঝেমধ্যে নীরবতাই হয়ে ওঠে সবচেয়ে মুখর ভাষা, আর অপেক্ষার রাতগুলো সাক্ষী দেয় অভিমানের নীলাভ ও সুগভীর অনুভূতির। প্রবীণ ঝরাপাতার বিদায় ও নিস্তব্ধতার সেই চিরন্তন সুরকে আবৃত্তিশিল্পী পৃথা সিনহা দাস তাঁর সুগভীর, দরদী ও মায়াবী কণ্ঠে অনন্য রূপ দিয়েছেন। নীরবতার নিজস্ব ভাষা আর গভীর ভালোবাসার এ কাব্যাবেশ পেতে একান্তে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।ক্ষার বিষাদ ও ব্যাকুল আকুতির এই চিরন্তন কাব্য রূপায়নটি শুনতে উপভোগ করুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
এভাবেই বিষাদে, সংলাপে
ভিউস: ১

"বিস্তীর্ণ শ্মশানে বিপন্ন প্রজাপতি এবং কয়েকটা দানব" বর্বর পাশবিকতা, বিপন্ন মানবতা আর স্বাধীন পতাকার অবমাননার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া এক তীব্র ক্ষোভের প্রতিচ্ছবি। নিঃসঙ্গ শ্মশানের আঁধারে এগারোটা দানবরূপী মানুষের জান্তব উল্লাস, অসহায় মায়ের করুণ আকুতি আর কিশোরী মেয়েটির নিষ্পাপ শরীর চূর্ণ হওয়ার ট্র্যাজেডি কেঁপে ওঠে গোটা রাষ্ট্রযন্ত্র। এটি কেবল একটি মেয়ের সম্ভ্রমহানি নয়, বরং রক্তের বিনিময়ে কেনা পবিত্র স্বাধীনতা ও মানচিত্রের বুকেই এক পৈশাচিক আঘাত। দানবীয় সাম্প্রদায়িকতা আর পাশবিকতায় পুড়ে যাওয়া আইনশৃঙ্খলা ও বিপন্ন প্রজাপতির এই বুকফাটা আর্তনাদকে আবৃত্তিশিল্পী অমিতাভ দত্ত তাঁর সুগভীর, দরাজ ও বজ্রকণ্ঠের উচ্চারণে চরম প্রতিবাদী মাত্রা দিয়েছেন। লজ্জা, ক্ষোভ আর মানবতার করুণ এই আর্তনাদ অনুভব করতে একান্তে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
জুলাইয়ের রাজপথ
ভিউস: ১