কবিতা ও আবৃত্তির এক অনন্য সংকলন। এখানে শব্দের ঝংকারে হৃদয়ের অনুভূতিগুলো প্রাণ পায় সুরের মূর্ছনায়।

"মুদ্রার এপিঠ" কবিতাটি ভাষার সীমানা পেরিয়ে না-বলা কথা, অনাবিষ্কৃত শব্দ আর হৃদয়ের গভীরে জমাটবদ্ধ অনুভূতির এক ব্যাকুল দলিল। কখনো কখনো খাতার শূন্য পৃষ্ঠা কিংবা না পাঠানো চিঠির নিঃসঙ্গ ডাকবাক্সই বলে দেয় ভালোবাসার সবচেয়ে গভীর সত্যগুলো। প্রিয়জনের চিবুকের টোল, কপোলের তিল আর চোখের গভীরে একলব্য অস্তিত্বের বেঁচে থাকার আকুতি ভেসে ওঠে এই কাব্যিক আখ্যানে। বাহ্যিক না-থাকার আড়ালেও পুরোটা অস্তিত্ব জুড়ে কারোর থেকে যাওয়ার এই চিরন্তন প্রেমকে বিশিষ্ট আবৃত্তিশিল্পী মাহবুবুর রহমান টুনু তাঁর সুগভীর ও স্পর্শকাতর উচ্চারণে দারুণ মায়ায় ফুটিয়ে তুলেছেন। অব্যক্ত অনুভূতি আর ভালোবাসার এই অন্য রূপটি ছুঁয়ে দেখতে একান্তে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
বসন্ত এসে ছুঁয়ে গেছে
ভিউস: ২

"মেঘ, পাহাড়ের গল্প" কবিতাটি অপূরণ থেকে যাওয়া অনুভূতির আবেশ আর অস্পষ্ট সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে তৈরি এক রূপময় আখ্যান। ভালোবাসার পূর্ণাঙ্গ রূপ না পেয়ে কেবল ক্ষণিকের এক অলৌকিক ভালোলাগা কীভাবে মানুষকে আচ্ছন্ন করে রাখে, সেই সুগভীর সত্যই ফুটে উঠেছে এই কবিতায়। মেঘ আর পাহাড়ের মতোই কাছাকাছি থেকেও স্পর্শহীন এক দূরত্বের করুণ সৌন্দর্য বহন করে চলে দুটি প্রাণ। স্পর্শহীন এই অপূর্ণ প্রেম আর আচ্ছন্ন করে রাখা বিষাদময় মায়াকে আবৃত্তিশিল্পী মাহবুবুর রহমান টুনু তাঁর সুগভীর ও দরদী কণ্ঠে চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। কাছে এসেও অধরা থেকে যাওয়া সেই অস্পষ্ট অনুভূতির স্বাদ পেতে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
বসন্ত এসে ছুঁয়ে গেছে
ভিউস: ১

"কথোপকথন" কবিতাটি জোছনাধোয়া নিশুতি রাতে পৃথিবীর যাবতীয় ক্লান্তি কাটিয়ে এক পরম মুক্তির তীব্র আকুলতা। ‘মাধব’ নামের অনুভূতির কাছে আত্মনিবেদনের মধ্য দিয়ে কবি যেন জীবনের রূপক সায়ানাইড বা হেমলক পান করে এক অপার্থিব খোলস ছেড়ে বেরিয়ে পড়তে চান। সিদ্ধার্থের গৃহত্যাগ, ডেলফির ভবিষ্যদ্বাণী আর পারন্যাসাস পাহাড়ের রূপকে জীবনের মায়াজাল ছিন্ন করে আত্মাহুতির এক সুগভীর গল্প এটি। বিষাদময় মুক্তি আর অস্তিত্বের এই দার্শনিক সংকটকে বিশিষ্ট আবৃত্তিশিল্পী মাহবুবুর রহমান টুনু তাঁর গম্ভীর ও দরদী কণ্ঠে এক অদ্ভুত মায়ায় ফুটিয়ে তুলেছেন। জোছনার আলোয় ঢাকা জীবনের মোক্ষম মুক্তির সেই তীব্র অনুভূতি ছুঁয়ে দেখতে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
জলের কাছে যাবো
ভিউস: ২

"মনস্তাপের কারণ" কবিতাটি জীবনের যাবতীয় বিষ ও কষ্ট নিজের বুকে ধারণ করে প্রিয় মানুষকে সুখে রাখার এক নিঃশব্দ আত্মত্যাগের আখ্যান। ভাগ্যলিপির সমস্ত দুঃখ কড়ায়-গণ্ডায় বুঝে নিয়ে কবি পেতে চান নীলকণ্ঠের রূপ, যেন অন্য প্রান্তের সংসার ভরে ওঠে স্নিগ্ধতা ও প্রাচুর্যে। নোনাজলে ভরা বুক আর বিশ্বাসঘাতক পৃথিবীর ছলনার মাঝেও প্রিয়জন যেন ভালো থাকে—এই ব্যাকুল প্রার্থনা ফুটে উঠেছে এই কাব্যে। নিজের স্বপ্ন শুকিয়ে নেওয়ার হাহাকার আর নিঃশব্দ বিষাদের অনুভূতিকে বিশিষ্ট আবৃত্তিশিল্পী অশোক বেপারী তাঁর সুগভীর ও দরাজ কণ্ঠে অসাধারণ মায়ায় বুনেছেন। আত্মত্যাগ ও গোপন মনস্তাপের এই গভীর কাব্যিক প্রকাশ অনুভব করতে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
বন্ধনহীন গ্রন্থি
ভিউস: ২

"পোড়া চোখে ঘুম নেই" কবিতাটি শৈশবের হারানো আকাশ, শৈশবের স্মৃতির রাজ্য আর ঘুমহীন চোখের ব্যাকুল হাহাকার নিয়ে এক মায়াবী কাব্যিক আখ্যান। রাতজাগা পাখির মতো উধাও হওয়া ঘুম, আর ‘ইতি’ নামের চেনা মেয়েটির দেওয়া রংধনু, পাহাড় ও মেঘে সাজানো স্বপ্নের রাজ্য—সব হারিয়ে কবি আজ বড় একলা। সেই হারিয়ে যাওয়া মানুষগুলো চলে গেলেও কবি বুকের ভেতরের কান্না হয়ে আজও বয়ে চলে গোপন এক নদী। শৈশবের রূপকথা আর যৌবনের নিঃসঙ্গতার এই বিষাদময় গল্পকে আবৃত্তিশিল্পী শিমুল মুস্তাফা তাঁর সুগভীর ও দরদী কণ্ঠে দারুণ এক আবেগে ফুটিয়ে তুলেছেন। হারানো স্বপ্ন আর রাতজাগা চোখের এই দীর্ঘশ্বাস ছুঁয়ে দেখতে একান্তে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
জলের কাছে যাবো
ভিউস: ১

"প্রতিসরণ" কবিতাটি পদার্থবিজ্ঞানের নিয়মের মতো আলো বদলে যাওয়ার সাথে সম্পর্কের সমীকরণ বদলে যাওয়ার এক আক্ষেপময় রূপায়ণ। প্রাত্যহিক অবহেলা, জমে থাকা অভিমান আর দূরত্বের দেয়ালে আটকে পড়া সম্পর্কের যান্ত্রিকতাকে তুলে ধরেছে এই আখ্যান। মুঠোফোনে আসা দায়সারা বার্তা আর ফিকে হতে থাকা চেনা ঘ্রাণগুলো স্পষ্ট করে দেয় কীভাবে সময়ের সাথে সম্পর্কের সংজ্ঞা বদলে যায়। দিনশেষে দিকভ্রান্ত ঘুড়ির ডানা ভাঙার মতো গভীর অনুভূতির গল্প এটি। দূরত্বের এই ক্ষতের কথা আবৃত্তিশিল্পী মাহবুবুর রহমান টুনু তাঁর সুগভীর ও দরাজ কণ্ঠে চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। সম্পর্কের ফিকে হওয়া আলো-ছায়ার এই খেলা অনুভব করতে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
বন্ধনহীন গ্রন্থি
ভিউস: ২

"ভালোবাসার গল্প" কবিতাটি কংক্রিটের ব্যস্ত শহরে জমে থাকা গভীর অনুরাগ, নিঃশব্দ খেয়াল রাখা আর ভালোবাসার মায়াবী কোলাহলকে ঘিরে এক মধুর আখ্যান। ইট-সিমেন্টের এই যান্ত্রিক গোলকধাঁধায় সোডিয়াম লাইটের আবছায়া আলো, ফুটপাত কিংবা কফি শপের কোণ—সবই ছিল দুজন মানুষের নিজস্ব এক কাব্যিক পৃথিবী। একে অপরের প্রতি ব্যাকুল দৃষ্টি, স্পর্শের অসীম তৃষ্ণা আর দিনশেষে “নিজের যত্ন নিয়ো” বলার সেই অতি সাধারণ যত্নগুলোর ভেতরেই বেঁচে থাকত খাঁটি প্রেম। শহরের ভিড়ে হারিয়ে যাওয়া সেই মিষ্টি স্মৃতি আর একসময় সত্যি সত্যি ভালোবেসে যাওয়ার তৃপ্তিকে আবৃত্তিশিল্পী মাহবুবুর রহমান টুনু তাঁর সুগভীর, দরাজ ও স্পর্শকাতর কণ্ঠে অসাধারণ এক নস্টালজিক আবহে ফুটিয়ে তুলেছেন। ব্যস্ত নগরে ভালোবাসার সেই মিষ্টি লিরিক আর স্মৃতিময় অনুভূতি ছোঁয়া পেতে একান্তে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
বন্ধনহীন গ্রন্থি
ভিউস: ১

"আর দেখা হবে না" কবিতাটি সময় বয়ে যাওয়ার সাথে সাথে চিরচেনা শহর, ক্যাফে আর অলিতে-গলিতে রয়ে যাওয়া স্মৃতিদের পেছনে ফেলে বিপরীত মেরুর যাত্রী হয়ে যাওয়ার এক বুকচাপা হাহাকার। একসময় যে পার্কের বেঞ্চ, কফি শপের প্রিয় কোণ কিংবা ল্যাম্পপোস্টের নিচে দুটো জীবনের আবেগ জমা হতো, সেখানে আজ অন্য কারও পদচারণা। চেনা শহরটা আগের মতোই আছে, জমে থাকে বাদাম বিক্রেতা কিংবা রেস্তোরাঁর ছেলেটির অপেক্ষা; কেবল বদলে গেছে দুটো মানুষের গন্তব্য। দেখা না হওয়ার এই সুনির্দিষ্ট সত্য আর স্মৃতির ধুলোঝাড়া আক্ষেপকে আবৃত্তিশিল্পী শিমুল মুস্তাফা তাঁর সুগভীর, দরাজ ও বিষাদময় উচ্চারণে এক অদ্ভুত মায়ায় বুনেছেন। হারিয়ে যাওয়া চেনা প্রেম আর বিপরীত মেরুতে হারিয়ে যাওয়ার এই করুণ অনুভূতির মুখোমুখি হতে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
জলের কাছে যাবো
ভিউস: ২