কবিতা ও আবৃত্তির এক অনন্য সংকলন। এখানে শব্দের ঝংকারে হৃদয়ের অনুভূতিগুলো প্রাণ পায় সুরের মূর্ছনায়।

"ইকারুসের ডানা" কবিতাটি পৌরানিক ইকারুসের মতো ভালোবাসার আগুনে ডানা পুড়িয়ে নিঃশেষ হওয়ার চরম আত্মত্যাগের আখ্যান। সমাজের চোখে অপরাধ জেনেও, কিংবা লোরকা, ব্রুনো বা যীশুর মতো করুণ পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে জেনেও কেবল প্রিয়তমাকে ভালোবেসে যাওয়ার এক চরম আকুলতা ফুটে উঠেছে এখানে। ভালোবাসার দায়ে ধূলিসাৎ হয়ে যাওয়া, নিখোঁজ হওয়া কিংবা পতনের শেষ মুহূর্তেও প্রিয়তমার প্রতি অবিচল বিশ্বাস আর আর্দ্র দৃষ্টি বয়ে বেড়ানোর গল্প এটি। এই ধ্বংসাত্বক কিন্তু চিরন্তন প্রেমকে বিশিষ্ট আবৃত্তিশিল্পী অশোক বেপারী তাঁর সুগভীর, দরাজ ও ভাবগম্ভীর উচ্চারণে এক অনবদ্য মাত্রা দিয়েছেন। ভালোবাসার অপার বিশ্বাস আর ইকারুসের মতো আত্মাহুতির এই তীব্র কাব্যাবেশ অনুভব করতে একান্তে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
বন্ধনহীন গ্রন্থি
ভিউস: ৩

"ঠোঁটে লেগে থাকা স্মৃতি" কবিতাটি অতীতের এক স্মৃতিময় বৃহস্পতিবারের পর থেকে শুরু হওয়া দীর্ঘ বিরহ আর থমকে যাওয়া সময়ের গল্প। জোছনা, বোগেনভিলিয়া কিংবা গরম কফির ধোঁয়া পেরিয়ে কেবল রয়ে যায় ঠোঁটের কোণে লেগে থাকা পুরনো কিছু স্পর্শ আর অন্তহীন শূন্যতা। দিন কেটে যায় প্রিয়তমার টোলপড়া হাসি না দেখে, আর বুকের খাঁ খাঁ নির্জনতায় জমাট বাঁধে নিস্তব্ধতার পাহাড়। দূরত্ব যত বাড়ে, তাকে একটু ছুঁয়ে দেখার আর একবারটি দেখার ব্যাকুলতা তত তীব্র হয়ে ওঠে। এই ব্যাকুল হাহাকার ও না-পাওয়ার হাহাকারকে আবৃত্তিশিল্পী পৃথা সিনহা দাস তাঁর সুগভীর ও দরদী কণ্ঠে মায়াবী এক রূপ দিয়েছেন। অপেক্ষার বিষাদ ও ব্যাকুল আকুতির এই চিরন্তন কাব্য রূপায়নটি শুনতে উপভোগ করুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
বন্ধনহীন গ্রন্থি
ভিউস: ৫

"ঠোঁটে লেগে থাকা স্মৃতি" কবিতাটি কোনো এক বৃহস্পতিবারের ক্ষণিকের দেখা, বোগেনভিলিয়া আর কফির পেয়ালার উষ্ণতায় আটকে থাকা এক অনন্ত অপেক্ষার কাব্যিক প্রকাশ। একটা একটা দিন প্রিয় মানুষটিকে না দেখে কাটানো মানেই পাখিহীন বিষণ্ণ সকাল, কিংবা ঘড়ির কাঁটার নিখাদ স্থবিরতা। কপোলের চেনা তিল আর টোলের দ্যুতি দেখতে না পাওয়ার সেই হাহাকার বুকের গভীর নির্জনতাকে আরও বাড়িয়ে তোলে। নাগরিক ব্যস্ততার দেয়াল পেরিয়ে প্রিয়তমাকে আরেকবার ছোঁয়ার এই আকুল তৃষ্ণাকে বিশিষ্ট আবৃত্তিশিল্পী মাহবুবুর রহমান টুনু তাঁর সুগভীর, দরাজ ও স্পর্শকাতর উচ্চারণে দারুণ মায়ায় ফুটিয়ে তুলেছেন। বিচ্ছেদের তীব্র যন্ত্রণা আর ব্যাকুল অপেক্ষার এই আবেগ অনুভব করতে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
বন্ধনহীন গ্রন্থি
ভিউস: ৫

"মুদ্রার এপিঠ" কবিতাটি ভাষার সীমানা পেরিয়ে না-বলা কথা, অনাবিষ্কৃত শব্দ আর হৃদয়ের গভীরে জমাটবদ্ধ অনুভূতির এক ব্যাকুল দলিল। কখনো কখনো খাতার শূন্য পৃষ্ঠা কিংবা না পাঠানো চিঠির নিঃসঙ্গ ডাকবাক্সই বলে দেয় ভালোবাসার সবচেয়ে গভীর সত্যগুলো। প্রিয়জনের চিবুকের টোল, কপোলের তিল আর চোখের গভীরে একলব্য অস্তিত্বের বেঁচে থাকার আকুতি ভেসে ওঠে এই কাব্যিক আখ্যানে। বাহ্যিক না-থাকার আড়ালেও পুরোটা অস্তিত্ব জুড়ে কারোর থেকে যাওয়ার এই চিরন্তন প্রেমকে বিশিষ্ট আবৃত্তিশিল্পী মাহবুবুর রহমান টুনু তাঁর সুগভীর ও স্পর্শকাতর উচ্চারণে দারুণ মায়ায় ফুটিয়ে তুলেছেন। অব্যক্ত অনুভূতি আর ভালোবাসার এই অন্য রূপটি ছুঁয়ে দেখতে একান্তে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
বসন্ত এসে ছুঁয়ে গেছে
ভিউস: ৪

"মেঘ, পাহাড়ের গল্প" কবিতাটি অপূরণ থেকে যাওয়া অনুভূতির আবেশ আর অস্পষ্ট সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে তৈরি এক রূপময় আখ্যান। ভালোবাসার পূর্ণাঙ্গ রূপ না পেয়ে কেবল ক্ষণিকের এক অলৌকিক ভালোলাগা কীভাবে মানুষকে আচ্ছন্ন করে রাখে, সেই সুগভীর সত্যই ফুটে উঠেছে এই কবিতায়। মেঘ আর পাহাড়ের মতোই কাছাকাছি থেকেও স্পর্শহীন এক দূরত্বের করুণ সৌন্দর্য বহন করে চলে দুটি প্রাণ। স্পর্শহীন এই অপূর্ণ প্রেম আর আচ্ছন্ন করে রাখা বিষাদময় মায়াকে আবৃত্তিশিল্পী মাহবুবুর রহমান টুনু তাঁর সুগভীর ও দরদী কণ্ঠে চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। কাছে এসেও অধরা থেকে যাওয়া সেই অস্পষ্ট অনুভূতির স্বাদ পেতে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
বসন্ত এসে ছুঁয়ে গেছে
ভিউস: ৩

"কথোপকথন" কবিতাটি জোছনাধোয়া নিশুতি রাতে পৃথিবীর যাবতীয় ক্লান্তি কাটিয়ে এক পরম মুক্তির তীব্র আকুলতা। ‘মাধব’ নামের অনুভূতির কাছে আত্মনিবেদনের মধ্য দিয়ে কবি যেন জীবনের রূপক সায়ানাইড বা হেমলক পান করে এক অপার্থিব খোলস ছেড়ে বেরিয়ে পড়তে চান। সিদ্ধার্থের গৃহত্যাগ, ডেলফির ভবিষ্যদ্বাণী আর পারন্যাসাস পাহাড়ের রূপকে জীবনের মায়াজাল ছিন্ন করে আত্মাহুতির এক সুগভীর গল্প এটি। বিষাদময় মুক্তি আর অস্তিত্বের এই দার্শনিক সংকটকে বিশিষ্ট আবৃত্তিশিল্পী মাহবুবুর রহমান টুনু তাঁর গম্ভীর ও দরদী কণ্ঠে এক অদ্ভুত মায়ায় ফুটিয়ে তুলেছেন। জোছনার আলোয় ঢাকা জীবনের মোক্ষম মুক্তির সেই তীব্র অনুভূতি ছুঁয়ে দেখতে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
জলের কাছে যাবো
ভিউস: ৫

"মনস্তাপের কারণ" কবিতাটি জীবনের যাবতীয় বিষ ও কষ্ট নিজের বুকে ধারণ করে প্রিয় মানুষকে সুখে রাখার এক নিঃশব্দ আত্মত্যাগের আখ্যান। ভাগ্যলিপির সমস্ত দুঃখ কড়ায়-গণ্ডায় বুঝে নিয়ে কবি পেতে চান নীলকণ্ঠের রূপ, যেন অন্য প্রান্তের সংসার ভরে ওঠে স্নিগ্ধতা ও প্রাচুর্যে। নোনাজলে ভরা বুক আর বিশ্বাসঘাতক পৃথিবীর ছলনার মাঝেও প্রিয়জন যেন ভালো থাকে—এই ব্যাকুল প্রার্থনা ফুটে উঠেছে এই কাব্যে। নিজের স্বপ্ন শুকিয়ে নেওয়ার হাহাকার আর নিঃশব্দ বিষাদের অনুভূতিকে বিশিষ্ট আবৃত্তিশিল্পী অশোক বেপারী তাঁর সুগভীর ও দরাজ কণ্ঠে অসাধারণ মায়ায় বুনেছেন। আত্মত্যাগ ও গোপন মনস্তাপের এই গভীর কাব্যিক প্রকাশ অনুভব করতে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
বন্ধনহীন গ্রন্থি
ভিউস: ৪

"পোড়া চোখে ঘুম নেই" কবিতাটি শৈশবের হারানো আকাশ, শৈশবের স্মৃতির রাজ্য আর ঘুমহীন চোখের ব্যাকুল হাহাকার নিয়ে এক মায়াবী কাব্যিক আখ্যান। রাতজাগা পাখির মতো উধাও হওয়া ঘুম, আর ‘ইতি’ নামের চেনা মেয়েটির দেওয়া রংধনু, পাহাড় ও মেঘে সাজানো স্বপ্নের রাজ্য—সব হারিয়ে কবি আজ বড় একলা। সেই হারিয়ে যাওয়া মানুষগুলো চলে গেলেও কবি বুকের ভেতরের কান্না হয়ে আজও বয়ে চলে গোপন এক নদী। শৈশবের রূপকথা আর যৌবনের নিঃসঙ্গতার এই বিষাদময় গল্পকে আবৃত্তিশিল্পী শিমুল মুস্তাফা তাঁর সুগভীর ও দরদী কণ্ঠে দারুণ এক আবেগে ফুটিয়ে তুলেছেন। হারানো স্বপ্ন আর রাতজাগা চোখের এই দীর্ঘশ্বাস ছুঁয়ে দেখতে একান্তে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
জলের কাছে যাবো
ভিউস: ৩