কবিতা ও আবৃত্তির এক অনন্য সংকলন। এখানে শব্দের ঝংকারে হৃদয়ের অনুভূতিগুলো প্রাণ পায় সুরের মূর্ছনায়।

কালো ফ্রেমের চশমা, বইয়ের সুবাস আর হারিয়ে যাওয়া বটবৃক্ষের ছায়ায় বুনে রাখা স্মৃতির প্রতিচ্ছবি—"আমার কাছে বাবা মানে" কবিতাটি। একসময় যার উপস্থিতিতে ঘরজুড়ে ছড়িয়ে থাকত সুর, নাটক আর বইয়ের আনন্দময় জগৎ, আজ সেই মানুষটি নেই; রয়ে গেছে শুধু মায়ের সযত্নে গুছিয়ে রাখা জায়নামাজ, তসবীহ আর বুকের ভেতর খাঁ খাঁ করা শূন্যতা। এক নিঃসঙ্গ বাতাস আর কুয়াশাভেজা আকাশের রূপকে সন্তানের অন্তহীন হাহাকার ফুটে উঠেছে এই আখ্যানে। কবি সুমন সুবহানের এই অমর ভালোবাসার দলিলকে আবৃত্তিশিল্পী ফারহানা তৃণা তাঁর সুগভীর, দরাজ ও দরদী কণ্ঠের নিখুঁত বয়ানে এক অনন্য মাত্রায় পৌঁছে দিয়েছেন। বাবার স্মৃতির মায়ায় ডুব দিতে এবং পিতৃত্বের চিরন্তন আবেগ অনুধাবন করতে একান্তে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
জলের কাছে যাবো
ভিউস: ১

"আমার কাছে বাবা মানে" কবিতাটি শৈশব-কৈশোরের দিনগুলোতে ছড়িয়ে থাকা এক অভিভাবকের প্রভাব, গান ও বইয়ের আলো এবং একখণ্ড নিরব কবরের নিথর স্মৃতির নাম। শান্ত দুপুরে বইয়ের পাতায় ঘুমিয়ে পড়া বাবার সেই চেনা রূপ, পুরনো ট্রানজিস্টরের অস্ফুট সুর আর ছুটির দিনে থিয়েটার দেখার আনন্দ—সবই আজ স্মৃতি। জীবনের কঠিন প্রশ্নগুলোর উত্তর বইয়ের ভেতরে খুঁজে নিতে শেখানো সেই বাবা আজ নেই, রয়ে গেছে শুধু বাঁশের বেড়ায় ঘেরা একখণ্ড জমি আর কুয়াশা ভেজা নীরবতা। কবি সুমন সুবহানের এই মায়াবী স্মৃতিগদ্যকে আবৃত্তিশিল্পী মাহবুবুর রহমান টুনু তাঁর সুগভীর ও দরদী কণ্ঠে এক অদ্ভুত স্মৃতিতুর আবহে ফুটিয়ে তুলেছেন। বাবার রেখে যাওয়া অলিখিত উত্তরাধিকার আর বিচ্ছেদের গভীর হাহাকার অনুভব করতে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
জলের কাছে যাবো
ভিউস: ১

"আমার কাছে বাবা মানে" কবিতাটি মূলত বাবার স্মৃতিমাখা টেবিল, বইয়ের পাতা আর চলে যাওয়ার পর বুকের গভীরে রেখে যাওয়া চিরন্তন শূন্যতার এক মায়াবী আখ্যান। কাঠবাদাম গাছের নিচে শান্ত ঘুমিয়ে থাকা বাবার রেখে যাওয়া চশমা, পুরনো ট্রানজিস্টর আর বই পড়ার অভ্যাস আজও সন্তানকে আঁকড়ে ধরে রাখে প্রাত্যহিক জীবনে। বাবা নেই, কিন্তু রেখে গেছেন জ্ঞান আর সুরের এমন এক আশ্রয়, যা নিঃসঙ্গ রাতগুলোতে আজও আলো ছড়ায়। কবি সুমন সুবহানের এই আবেগঘন রূপকল্পকে আবৃত্তিশিল্পী শিমুল মুস্তাফা তাঁর দরদী, সুগভীর ও স্পর্শকাতর উচ্চারণে এক অনন্য পারিবারিক আবেশে ফুটিয়ে তুলেছেন। বাবার অভাব আর স্মৃতির সেই কুয়াশাভেজা আকাশের অনুভূতি ছোঁয়া পেতে একান্তে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
জলের কাছে যাবো
ভিউস: ১

"অধিকার" কবিতাটি বিচ্ছেদের দীর্ঘ দূরত্ব পেরিয়েও অনুভূতির গভীরে চেনা মানুষের অলিখিত অধিকার ধরে রাখার এক বিষাদময় আখ্যান। ‘রওনক’ চরিত্রের ক্ষ্যাপাটে রাগ, শার্টের খসে পড়া বোতাম, ভুলভাবে টাই বাঁধা কিংবা রমিজ মামার দোকানে চায়ের কাপে আড্ডা—সব ছেড়ে আজ দুজন এক জীবনের দূরত্বে। তবে বিচ্ছেদ হলেও জীবনের প্রাত্যহিক নির্ভরতা আর ভালোবাসার অদৃশ্য আধিপত্য যে মুছে যায় না, সেই ব্যাকুলতা ফুটে উঠেছে এই কবিতায়। হারিয়ে যাওয়া সম্পর্কের এই করুণ স্মৃতি আর প্রচ্ছন্ন অধিকারবোধের গল্পকে আবৃত্তিশিল্পী ফারহানা তৃণা তাঁর সুগভীর, দরাজ ও দরদী উচ্চারণে এক মায়াবী মাত্রা দিয়েছেন। কাছে না থেকেও মনজুড়ে বেঁচে থাকা সেই অনপনেয় অধিকারের স্বাদ পেতে একান্তে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
বন্ধনহীন গ্রন্থি
ভিউস: ০

"তুমি এরকমই থেকো" কবিতাটি কাছে আসার সমস্ত আকুলতা চেপে রেখে এক আলোকবর্ষ দূরত্বের ব্যবধানে প্রেমকে বাঁচিয়ে রাখার এক অদ্ভুত আত্মসংযমী কাব্যিক রূপায়ণ। ‘অনসুয়া’ নামের চরিত্রটিকে উদ্দেশ্য করে লেখা এই আখ্যানে কবি এমন এক স্পর্শহীন দূরত্বের আকাঙ্ক্ষা করেছেন, যেখানে সমাজ একে কখনোই কোনো সম্পর্ক কিংবা নাম দিতে পারবে না। কফির কাপের আড়াল, হৃদয়ের বন্ধ কপাট আর নীরবতার গভীরে লুকিয়ে থাকা এই দূরত্বের মোহ—আসলে প্রচ্ছন্ন এক ক্ষোভ আর গভীর ভালোবাসারই রূপক। কাছে এসে সম্পর্ককে সাধারণ করে তোলার চেয়ে এই ধরা-ছোঁয়ার বাইরের ব্যবধানকেই চিরন্তন করে রাখার করুণ আরতি ফুটে উঠেছে কবিতায়। এই সূক্ষ্ম অভিমান ও আত্মিক অনুভূতির গল্পটিকে আবৃত্তিশিল্পী শহিদুল ইসলাম পাপ্পু তাঁর দরদী, সংবেদনশীল ও সুগভীর কণ্ঠের নিখুঁত বয়ানে এক অনন্য মাত্রায় পৌঁছে দিয়েছেন। কাছে না এসেও চিরকাল মনের গহীনে রয়ে যাওয়ার এই গভীর কাব্যিক অনুভব স্পর্শ করতে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
বন্ধনহীন গ্রন্থি
ভিউস: ১

"ছুঁয়ে থাকা" কবিতাটি শারীরিক প্রস্থান পেরিয়েও অনুভূতির অদৃশ্য বন্ধনে মিশে থাকার এক গাঢ়, প্রাকৃতিক ও আত্মিক দার্শনিক দলিল। মানুষ কেবল মুখে বিদায় বললেই দূরে চলে যেতে পারে না; ঠিক যেমন উড়ে যাওয়া পাখির পড়ে থাকা পালক, ঝরা পাতার মর্মর শব্দ কিংবা জোছনায় বাঁশপাতার স্পর্শ পরম মায়ায় রয়ে যায় পৃথিবীর বুকে। প্রকৃতির প্রতিটি অলৌকিক রূপকের মতো স্মৃতি, স্পর্শ আর চেনা ঘ্রাণ হয়ে মানুষ আসলে থেকে যায় ভালোবাসার মানুষের অনুভূতির গভীরে—এক শরীর যেন ছুঁয়ে থাকে অন্য শরীরকে। বিচ্ছেদের মাঝেও অনন্তকাল জুড়ে বেঁচে থাকার এই গভীর অনুভূতির সুরকে আবৃত্তিশিল্পী ফারহানা তৃণা তাঁর সুগভীর, সংবেদনশীল ও মায়াবী কণ্ঠে অনন্য এক কাব্যিক রূপ দিয়েছেন। দৃশ্যমান বিচ্ছেদের আড়ালে থাকা সেই অবিনশ্বর মায়া আর ছোঁয়া অনুভব করতে একান্তে ডুব দিন সম্পূর্ণ আবৃত্তিতে।
বন্ধনহীন গ্রন্থি
ভিউস: ১

মধ্যবিত্ত জীবনের নিরব আত্মসংকট, জীবিকার করুণ বাস্তবতা এবং ঘোর দুর্যোগেও টিকে থাকা ভালোবাসার এক বাস্তবমুখী আখ্যান "রওনকের জন্য একটা চাকরি দরকার" কবিতাটি। বৈশ্বিক মহামারির নির্মম থাবায় হঠাৎ কাজ হারিয়ে ফেলা, প্রতিদিন সকালে মিথ্যা কাজের ছলে পার্কের বেঞ্চে সময় পার করা, আর অভাবের তাড়নায় বিয়ের স্মৃতির শেষ আংটিটা বেচে দেওয়ার বুকচাপা গল্প ফুটে উঠেছে এই কবিতায়। তবে অমানিশার শেষে সংসারের এই চরম অনিশ্চয়তার মধ্যেও স্ত্রীর বাড়িয়ে দেওয়া সহমর্মিতার হাত প্রমাণ করে—ক্ষয়িষ্ণু এই নগরে এখনও ভালোবাসা আর আশার আলো বেঁচে আছে। জীবনসংগ্রামের এই করুণ ছবি ও মানবিক সম্পর্কের মায়াকে আবৃত্তিশিল্পী শহিদুল ইসলাম পাপ্পু তাঁর সুগভীর, দরদী ও স্পর্শকাতর উচ্চারণে দারুণ কাব্যিক রূপ দিয়েছেন। এক মধ্যবিত্ত পরিবারের আত্মমর্যাদার লড়াই আর বেঁচে থাকার সেই আকুল ব্যাকুলতা অনুধাবন করতে একান্তে উপভোগ করুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
বন্ধনহীন গ্রন্থি
ভিউস: ০

"পদচিহ্ন" কবিতাটি দূরারোগ্য ব্যাধির নিষ্ঠুর বাস্তবতা, প্রচ্ছন্ন আত্মত্যাগ এবং বিচ্ছেদের পরপরই ঘটে যাওয়া এক ট্র্যাজিক পরিণতির রক্তক্ষরণী আখ্যান। ফুসফুসের অ্যাডভান্সড ক্যানসারের নির্মম খবর পেয়ে ‘পার্থ দা’ নামের প্রিয় মানুষটিকে নিজের অভাব থেকে বাঁচাতেই সম্পর্ক ভাঙার কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন নারী। কিন্তু দুশো তেতাল্লিশ দিনের ভালোবাসাকে বাঁচিয়ে রাখতে নিজেকে গুটিয়ে নেওয়ার পরক্ষণেই রাজপথের এক আকস্মিক দুর্ঘটনায় হারিয়ে যায় পার্থ নামের সেই চেনা মানুষটি। ক্ষয়ে যাওয়া জুতোর সোল, ছাতিম গাছের তলে সিগারেটের ধোঁয়া আর রাজপথে রেখে যাওয়া সেই শেষ পদচিহ্ন আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকার এই বুকফাটা হাহাকারকে আবৃত্তিশিল্পী ফারহানা তৃণা তাঁর সুগভীর, দরাজ ও অত্যন্ত আবেগঘন কণ্ঠে জীবন্ত করে তুলেছেন। নিয়তির ভয়াবহ প্রতিশোধ আর ভালোবাসার এই করুণ আত্মিক ট্র্যাজেডির মুখোমুখি হতে শুনতে পারেন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
বন্ধনহীন গ্রন্থি
ভিউস: ১