কবিতা ও আবৃত্তির এক অনন্য সংকলন। এখানে শব্দের ঝংকারে হৃদয়ের অনুভূতিগুলো প্রাণ পায় সুরের মূর্ছনায়।

"এলোমেলো হয়ে যাবো" কবিতাটি অস্বীকৃতি ও প্রত্যাখ্যানের আশঙ্কায় প্রেমিকের হৃদয়ের প্রলয়ঙ্করী হাহাকার ও ব্যাকুল মিনতির কাব্যিক আখ্যান। ফুজিয়ামা বা পালমিরা দেখা প্রিয়ার অচেনা চোখে এক প্রেমিক হৃদয়ের পুড়ে সোনার মতো খাঁটি হওয়ার দহন ধরা পড়েছে এই কবিতায়। মেঘের মতো প্রিয়াকে ফিরিয়ে না দেওয়ার আকুল আকুতি—নতুবা ধ্বংস হয়ে যাবে প্রেমিকের পৃথিবী, বুকপাজরের নোনাজল রূপ নেবে তপ্ত লাভাস্রোতে। আঙুলে, কাঁধে আর স্পর্শে জড়িয়ে থাকা প্রেয়সীকে হারানোর ভয়ে তাই কবি তৈমুরের ঝড়ের মতো তছনছ হয়ে যাওয়ার শঙ্কা প্রকাশ করেন। ভালোবাসার এই প্রলয় রূপ ও তীব্র আবেগের ব্যাকুলতাকে বিশিষ্ট আবৃত্তিশিল্পী শহিদুল ইসলাম পাপ্পু তাঁর সুগভীর ও দরাজ কণ্ঠে চমৎকার এক মায়ায় ফুটিয়ে তুলেছেন। ভালোবাসার আচ্ছন্নতা আর এলোমেলো হয়ে যাওয়ার এই তীব্র কাব্যরূপ শুনতে উপভোগ করুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
বসন্ত এসে ছুঁয়ে গেছে
ভিউস: ১

"ভুল দরজায় করাঘাত" কবিতাটি অভিমানের পাহাড় চেপে রেখে প্রিয়জনকে নীরব মুক্তি দেওয়ার এক কঠিন অথচ করুণ আত্মত্যাগের দলিল। জমে থাকা অগণিত না-বলা অভিযোগের চিঠিকে ডাকপিওনসহ ফিরিয়ে দিয়ে নিজেকে গুটিয়ে নেওয়ার গভীর ট্র্যাজেডি ফুটে উঠেছে এই কবিতায়। প্রিয়তমার স্বাধীনতার প্রতি সম্মান জানিয়ে কিংবা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলার সুযোগ দিতে কবি সব অধিকার আর প্রশ্ন তুলে নিয়ে হৃদয়ের সমর্পণ জানান মুক্তির ভাষায়। নামহীন সম্পর্কের চাওয়া-পাওয়া আর মনখারাপের জমানো নোনাজল বাষ্প হয়ে উবে যাওয়ার এই নিভৃত হাহাকারকে আবৃত্তিশিল্পী মাহবুবুর রহমান টুনু তাঁর সুগভীর ও দরাজ কণ্ঠে চমৎকার এক মায়ায় বুনেছেন। আত্মসম্মান আর গভীর ভালোবাসার এই দ্বিধাদ্বন্দ্ব অনুধাবন করতে একান্তে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
বসন্ত এসে ছুঁয়ে গেছে
ভিউস: ০

"খুব সামান্য একটা কিছুর জন্য" কবিতাটি অপার ভালোবাসা, তীব্র আত্মদহন আর সামান্য কিছু অনুভূতির টানে নিজেকে হারিয়ে ফেলার করুণ গল্প। ‘লীনা’ নামের প্রিয়তমার প্রতি একবুক তৃষ্ণা, পোড়া মোমের অবদমিত ক্ষত আর শীত-গ্রীষ্মের মানসিক অন্তর্দাহে জর্জরিত এক প্রেমিক হৃদয়ের ব্যাকুলতা এখানে ফুটে উঠেছে। পরিযায়ী বলাকার মতো দিশাহীন ব্যাকুলতায় নিঃস্ব উল্কাপিন্ডের রূপ ধরে ভালোবাসার তীব্র উষ্ণতা খোঁজার আকুল চেষ্টা ধরা পড়ে এ আখ্যানে। কখনো একমুঠো প্রেমের জন্য বুনো মোষের মতো ছুটে চলা, আবার পরক্ষণেই খুব ক্ষুদ্র কোনো কারণে দূরে সরে যাওয়ার টানাপোড়েনকে আবৃত্তিশিল্পী মাহবুবুর রহমান টুনু তাঁর সুগভীর ও দরাজ কণ্ঠে অসাধারণ মায়ায় উপস্থাপন করেছেন। ভালোবাসার এই তীব্র দহন ও গভীর আকুতি অনুভব করতে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
জলের কাছে যাবো
ভিউস: ২

"অস্তিত্বে মিশে থাকো তুমি" কবিতাটি নতুনের ভিড়ে পুরনো মুখ হারিয়ে যাওয়ার মেলায় প্রিয়তমার চিরন্তন উপস্থিতি ও গোপন অনুভূতির আখ্যান। রাতজাগা বালিশে জমা থাকা চাপা কান্না, জানালার লোহার গরাদ কিংবা এন্ড্রয়েড ফোনের নীরবতা জানে ভালোবাসার অধরা অপেক্ষার কথা। কপোলের তিল আর চিবুকের টোল সাক্ষী দিয়ে যায় যে—কবির এ আকুলতা কোনো ছেনালি বা অভিনয় নয়, বরং অস্তিত্বের সাথে মিশে থাকা এক খাঁটি ভালোবাসা। প্রিয়জনের স্পর্শ না পাওয়ার আক্ষেপ আর বুকে জমা অভিমানের প্রাচীরকে বিশিষ্ট আবৃত্তিশিল্পী মাহবুবুর রহমান টুনু তাঁর সুগভীর ও আবেগঘন কণ্ঠে অনন্য রূপ দিয়েছেন। অস্তিত্ব জুড়ে জড়িয়ে থাকা সেই নিবিড় ভালোবাসার গভীরতা অনুধাবন করতে একান্তে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
বসন্ত এসে ছুঁয়ে গেছে
ভিউস: ১

"স্বপ্ন বাঁধি নদীর জলে" কবিতাটি লক্ষ মানুষের কোলাহলেও বুকজুড়ে জমে থাকা নিঃসঙ্গতা আর হাত ধরে হাঁটার মতো একজন সঙ্গী না থাকার বেদনাময় গল্প। একলা পথচলা পথিক হিসেবে কেবল মেঘের দুপুরে কিংবা নদীর জলে স্বপ্ন বুনে যাওয়া, আর সাময়িক সহযাত্রীদের নেমে যাওয়ার শূন্যতা বয়ে চলাই যেন কবির জীবন। হাজার ব্যস্ততার ভিড়ে এমন এক জোড়া চোখের আকুল তৃষ্ণা—যে ভালোবাসার সুবাসে বুকপকেটে জমে থাকা ক্ষতের সান্ত্বনা হয়ে চিবুক ছুঁয়ে সুধাবে, “পাগল মানুষ! কেমন ছিলে?” পথচলতি এই একাকিত্ব আর গভীর আবেগকে আবৃত্তিশিল্পী মাহবুবুর রহমান টুনু তাঁর সুগভীর ও বিষাদময় কণ্ঠে চমৎকার এক মায়ায় বুনেছেন। একলা পথের তৃষ্ণা আর পরম স্নেহের ব্যাকুলতা অনুভব করতে একান্তে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
বন্ধনহীন গ্রন্থি
ভিউস: ১

"ইকারুসের ডানা" কবিতাটি পৌরানিক ইকারুসের মতো ভালোবাসার আগুনে ডানা পুড়িয়ে নিঃশেষ হওয়ার চরম আত্মত্যাগের আখ্যান। সমাজের চোখে অপরাধ জেনেও, কিংবা লোরকা, ব্রুনো বা যীশুর মতো করুণ পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে জেনেও কেবল প্রিয়তমাকে ভালোবেসে যাওয়ার এক চরম আকুলতা ফুটে উঠেছে এখানে। ভালোবাসার দায়ে ধূলিসাৎ হয়ে যাওয়া, নিখোঁজ হওয়া কিংবা পতনের শেষ মুহূর্তেও প্রিয়তমার প্রতি অবিচল বিশ্বাস আর আর্দ্র দৃষ্টি বয়ে বেড়ানোর গল্প এটি। এই ধ্বংসাত্বক কিন্তু চিরন্তন প্রেমকে বিশিষ্ট আবৃত্তিশিল্পী অশোক বেপারী তাঁর সুগভীর, দরাজ ও ভাবগম্ভীর উচ্চারণে এক অনবদ্য মাত্রা দিয়েছেন। ভালোবাসার অপার বিশ্বাস আর ইকারুসের মতো আত্মাহুতির এই তীব্র কাব্যাবেশ অনুভব করতে একান্তে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
বন্ধনহীন গ্রন্থি
ভিউস: ১

"ঠোঁটে লেগে থাকা স্মৃতি" কবিতাটি অতীতের এক স্মৃতিময় বৃহস্পতিবারের পর থেকে শুরু হওয়া দীর্ঘ বিরহ আর থমকে যাওয়া সময়ের গল্প। জোছনা, বোগেনভিলিয়া কিংবা গরম কফির ধোঁয়া পেরিয়ে কেবল রয়ে যায় ঠোঁটের কোণে লেগে থাকা পুরনো কিছু স্পর্শ আর অন্তহীন শূন্যতা। দিন কেটে যায় প্রিয়তমার টোলপড়া হাসি না দেখে, আর বুকের খাঁ খাঁ নির্জনতায় জমাট বাঁধে নিস্তব্ধতার পাহাড়। দূরত্ব যত বাড়ে, তাকে একটু ছুঁয়ে দেখার আর একবারটি দেখার ব্যাকুলতা তত তীব্র হয়ে ওঠে। এই ব্যাকুল হাহাকার ও না-পাওয়ার হাহাকারকে আবৃত্তিশিল্পী পৃথা সিনহা দাস তাঁর সুগভীর ও দরদী কণ্ঠে মায়াবী এক রূপ দিয়েছেন। অপেক্ষার বিষাদ ও ব্যাকুল আকুতির এই চিরন্তন কাব্য রূপায়নটি শুনতে উপভোগ করুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
বন্ধনহীন গ্রন্থি
ভিউস: ২

"ঠোঁটে লেগে থাকা স্মৃতি" কবিতাটি কোনো এক বৃহস্পতিবারের ক্ষণিকের দেখা, বোগেনভিলিয়া আর কফির পেয়ালার উষ্ণতায় আটকে থাকা এক অনন্ত অপেক্ষার কাব্যিক প্রকাশ। একটা একটা দিন প্রিয় মানুষটিকে না দেখে কাটানো মানেই পাখিহীন বিষণ্ণ সকাল, কিংবা ঘড়ির কাঁটার নিখাদ স্থবিরতা। কপোলের চেনা তিল আর টোলের দ্যুতি দেখতে না পাওয়ার সেই হাহাকার বুকের গভীর নির্জনতাকে আরও বাড়িয়ে তোলে। নাগরিক ব্যস্ততার দেয়াল পেরিয়ে প্রিয়তমাকে আরেকবার ছোঁয়ার এই আকুল তৃষ্ণাকে বিশিষ্ট আবৃত্তিশিল্পী মাহবুবুর রহমান টুনু তাঁর সুগভীর, দরাজ ও স্পর্শকাতর উচ্চারণে দারুণ মায়ায় ফুটিয়ে তুলেছেন। বিচ্ছেদের তীব্র যন্ত্রণা আর ব্যাকুল অপেক্ষার এই আবেগ অনুভব করতে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
বন্ধনহীন গ্রন্থি
ভিউস: ১