কবিতা ও আবৃত্তির এক অনন্য সংকলন। এখানে শব্দের ঝংকারে হৃদয়ের অনুভূতিগুলো প্রাণ পায় সুরের মূর্ছনায়।

"ঠিক আছে" কবিতাটি মূলত অভিমান ভাঙার কাব্যিক খেলা আর প্রিয়ার কণ্ঠের প্রেমে ডুবে থাকার মিষ্টি আখ্যান। যোগাযোগ বন্ধের কড়া নির্দেশে কবির বারংবার নিরাসক্ত ‘ঠিক আছে’ উত্তরের আড়ালে জমে ওঠে মান-অভিমানের মধুর কথোপকথন। রূপের চেয়েও প্রিয়ার কণ্ঠস্বরে বৃষ্টি ও ঝরাপাতার সুর খুঁজে পাওয়া কবির প্রেমে একঘেয়েমি ছোঁয়া সম্ভব হয় না। ক্ষোভ ভুলে তাই আবার শুরু হয় প্রতিদিনের কবিতা, গান আর ভালোবাসার বার্তা আদান-প্রদানের অলিখিত নিয়ম। নিত্যদিনের যত্ন ও শর্তে বাঁধাপড়া সম্পর্কটিতে প্রকাশ পায় এক গভীর আত্মিক টানের পরম স্বস্তি। মান-অভিমান পেরিয়ে অনুভূতির এই পুনর্জন্মকে আবৃত্তিশিল্পী মাহবুবুর রহমান টুনু ও অনন্যা মাহমুদ তাঁদের সুগভীর কণ্ঠে অনন্য রূপ দিয়েছেন। অভিমানের আড়ালে লুকিয়ে থাকা প্রগাঢ় ভালোবাসা অনুভব করতে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
এভাবেই বিষাদে, সংলাপে
ভিউস: ৩

"কেমন আছো" কবিতাটি গোপন অনুভূতি ও গল্পগুলোকে কবিতায় উন্মুক্ত করে দেওয়ার অভিযোগ এবং দুই মনের মনস্তাত্ত্বিক রূপকথা। ফেসবুক, ইউটিউব আর কাব্যগ্রন্থে নিজের অনুভূতি প্রকাশের বিষয়টিকে প্রিয়া বিশ্বাসঘাতকতা বলে দাবি করলেও কবি তাকে দেখেন ভালোবাসাকে অমর করার প্রয়াস হিসেবে। শোভনা কিংবা ওকাম্পোর উদাহরণ টেনে কবি বোঝাতে চান, কবির ভালোবাসায় প্রেমিকা কখনো মরে না; বরং অমরত্ব পায়। প্রিয়ার ক্ষোভ আর এলোমেলো প্রশ্নের মাঝেও কবি সহজভাবে জানতে চান কেবল তার কুশল। কিন্তু পৃথিবীর সমস্ত দর্শন ও উপমার পরও প্রিয়ার একটিমাত্র জবাবেই থমকে যায় সব যুক্তি—‘ভালো নেই’। প্রেমিক হৃদয়ের ব্যাকুলতা ও বিচ্ছেদের এই নিঃশব্দ সত্যকে আবৃত্তিশিল্পী মাহবুবুর রহমান টুনু ও অনন্যা মাহমুদ তাঁদের সুগভীর কণ্ঠে অনন্য রূপ দিয়েছেন। অনুভূতির উন্মোচন আর বুকের ভেতর জমাট বাঁধা কান্না অনুভব করতে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
এভাবেই বিষাদে, সংলাপে
ভিউস: ৪

"একটি আবৃত্তি সন্ধ্যা" কবিতাটি একক আবৃত্তি সন্ধ্যার আড়ম্বর আর পেছনে রয়ে যাওয়া না-বলা ভালোবাসার টানাপোড়েনের গল্প। নিমন্ত্রণ পেয়েও ভিড়ের ভীতিতে আড়ালে থাকা কবি শোনান প্রিয়ার সফল অনুষ্ঠানের এক সত্যনিষ্ঠ প্রতিক্রিয়া। দর্শনার্থীদের ভিড়, ভেন্যু ও সূচির নানা অসংগতির মাঝেও প্রিয়ার আবৃত্তিশৈলী ছিল সমস্ত নিন্দার ঊর্ধ্বে। কাব্য সন্ধ্যায় আবৃত্তির চেয়ে গানের প্রশংসা কিংবা কবিতার গতানুগতিক নির্বাচন নিয়ে অন্যের সমালোচনাই কবির কণ্ঠে ফুটে ওঠে। দু'জনের যৌথ স্বপ্নের অনুষ্ঠান হলেও কবির কোনো কবিতা সেখানে ঠাঁই না পাওয়ায় আড়ালে থেকে যায় গভীর এক অভিমান। সম্পর্কের অতীত বোঝাপড়া আর দূরত্বের এই সূক্ষ্ম আফসোসকে আবৃত্তিশিল্পী মাহবুবুর রহমান টুনু ও অনন্যা মাহমুদ তাঁদের সুগভীর কণ্ঠে অনন্য রূপ দিয়েছেন। সাফল্যের আলোর পেছনে লুকিয়ে থাকা না-পাওয়ার বিষাদ অনুভব করতে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
এভাবেই বিষাদে, সংলাপে
ভিউস: ৪

"অন্য আকাশের খোঁজে" কবিতাটি রেকর্ডিং স্টুডিওতে প্রিয়ার সাথে আকস্মিক দেখা এবং হারানো প্রেমের যন্ত্রণাদগ্ধ স্মৃতিচারণের গল্প। কবি জানান, প্রিয়তমা চলে যাওয়ার পর তাঁর লেখার অনুপ্রেরণা ও কলমের আনন্দ সব রক্তে পরিণত হয়েছে। প্রিয়া যখন একে মোহের পরিণতি ভেবে সাধারণ বন্ধুত্বে আটকে রাখতে চায়, কবি তখন প্রকাশ করেন অনুভূতির আসল সত্য। কোনো পার্থিব চাওয়া বা দখলদারি নয়, কবি শুধু চেয়েছিলেন নিঃস্বার্থ একটু বিশুদ্ধ ভালোবাসা। প্রিয়তমার চলে যাওয়ায় এই জীবনে কবিতা লেখা থামলেও আক্ষেপ আর ফিরে আসার আকুলতা শেষ হয়নি। তাই এই জীবনের অসমাপ্ত প্রেম পেরিয়ে অন্য এক জন্ম ও অন্য আকাশের নিচে প্রিয়তমাকে ফিরে পাওয়ার ব্যাকুল আহ্বানকে আবৃত্তিশিল্পী মাহবুবুর রহমান টুনু ও অনন্যা মাহমুদ তাঁদের সুগভীর কণ্ঠে অনন্য রূপ দিয়েছেন। অভিমান আর অন্য জন্মে পাওয়ার তীব্র হাহাকার অনুভব করতে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
এভাবেই বিষাদে, সংলাপে
ভিউস: ৪

"রিডিং ক্যাফে" কবিতাটি সংসার ও সামাজিক নিয়মের বাধা পেরিয়ে দুই মনের তীব্র আকর্ষণ আর গোপন আকুতির গল্প। লাঞ্চ টেবিলে হঠাৎ হেঁচকি ওঠার উসিলায় শুরু হওয়া ব্যাকুল ফোনালাপে ফুটে ওঠে কবি ও প্রিয়ার পারস্পরিক টানাপোড়েন। সমাজ, আইন আর সংসারের চেনা গণ্ডি পেরিয়ে যাওয়ার ভয়ে প্রিয়া প্রতিনিয়ত শঙ্কিত হলেও কবি প্রেমে অপ্রতিরোধ্য। বয়স কেবল এনআইডির সংখ্যা মাত্র; একে অপরের সান্নিধ্যে তারা যেন ফিরে পায় চিরন্তন কৈশোর ও রূপকথার প্রেম। ধরা পড়ার ভয় আর সংসার ভাঙার শঙ্কা সত্ত্বেও ভালোবাসা ও হারানোর ভয় দুজনকেই তাড়া করে বেড়ায় প্রতিনিয়ত। সব সংশয় কাটিয়ে অবশেষে বনানীর ‘রিডিং ক্যাফে’-তে মুখোমুখি হওয়ার এই আখ্যান আবৃত্তিশিল্পী নিবেদিতা নাগ তহবিলদার ও তাপস রায় তাঁদের সুগভীর কণ্ঠে অনন্য রূপ দিয়েছেন। ভয় ও ব্যাকুলতায় ভরা গোপন অনুভূতির দোলাচল অনুভব করতে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
এভাবেই বিষাদে, সংলাপে
ভিউস: ৩

"মুঠোফোনের পর্দা" কবিতাটি মূলত অতীত স্মৃতির ব্যাকুলতা আর সামাজিক নিয়মের দেয়ালে বন্দি দুই হৃদয়ের করুণ কথকতা। হাত ধরে রাস্তা পার করা, কফির মগে আঙুল ছোঁয়া কিংবা রিকশায় আগলে রাখার স্মৃতিগুলো আজও প্রিয়ার মনে পরম জীবন্ত। ভেসে যাওয়ার ভয় ও অস্তিত্ব হারানোর আশঙ্কায় প্রিয়া নিজেকে দূরে সরিয়ে নিলেও আড়ালে রয়ে গেছে এক প্রগাঢ় আত্মিক টান। নিজ নিজ সংসার ও জীবনের নানা ব্যস্ততায় শরীরগুলো বিচ্ছিন্ন হলেও তাদের অনুভূতি আটকে আছে অতীতের সেই ধূসর ইতিহাসে। কোনো সরাসরি সাক্ষাৎ বা পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলেও হৃদয়ের গভীর ব্যাকুলতা ফুরিয়ে যায়নি বিন্দুমাত্র। আর তাই সব হারানো প্রেম আর জমে থাকা কান্না নিয়ে আজ শুধুই ব্যাকুল অপেক্ষা—‘মুঠোফোনের স্ক্রিনে’, যা আবৃত্তিশিল্পী নিবেদিতা নাগ তহবিলদার ও তাপস রায় তাঁদের সুগভীর কণ্ঠে অনবদ্য রূপ দিয়েছেন। স্মৃতির মায়া আর পর্দায় বন্দি বিষাদময় অনুভূতির ছোঁয়া পেতে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
এভাবেই বিষাদে, সংলাপে
ভিউস: ৩

"কফিশপে প্রথম দেখা" কবিতাটি এক ঘণ্টার দীর্ঘ অপেক্ষা আর ক্ষণিকের সান্নিধ্যে না-বলা ব্যাকুলতার রূপকথা। যান্ত্রিক শহরের ট্রাফিক ও কোলাহল পেরিয়ে ‘তাবাক’ কফিশপের কোণে জমে ওঠে কবিতা, সিনেমা ও ভ্রমণের কল্পলোকের আলাপ। তবে ভালোবাসার সরাসরি উত্তরের বদলে ছাইচাপা প্রেমিকের মুখে ফুটে ওঠে কেবলই ধ্রুবতারার রহস্য আর দিকভ্রান্তির অনুভূতি। সময়ের তাড়ায় দ্রুত বিদায় নেওয়ার মাঝেও রয়ে যায় জীবনের ধ্রুবতারা হয়ে নিঃশব্দে পাশে থাকার এক গভীর আবেদন। বিভ্রান্তি আর প্রগাঢ় টানের এই সূক্ষ্ম দ্বন্দ্বে প্রথম সাক্ষাতের মুহূর্তটি হয়ে ওঠে এক চিরচেনা কাব্যাখ্যান। দুই হৃদয়ের প্রথম রসায়ন ও কাব্যিক সংলাপের অনবদ্য এই সুরকে আবৃত্তিশিল্পী নিবেদিতা নাগ তহবিলদার ও তাপস রায় তাঁদের সুগভীর কণ্ঠে অনন্য রূপ দিয়েছেন। প্রথম পরিচয়ের মুগ্ধতা ও অলিখিত অনুভূতির দোলাচল অনুভব করতে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
এভাবেই বিষাদে, সংলাপে
ভিউস: ৩

"এক শালিকের গল্প" কবিতাটি বৃষ্টিভেজা সকালে কবি ও ‘মেঘ’-এর ফোনালাপে ফুটে ওঠা এক গভীর বিরহগাথার গল্প। জানালার ওপাশে সজনে গাছের ডালে শালিকের বিচরণ দেখে শুরু হয় প্রিয়ার সাথে কবিমন ও হারানো যুগের কথকতা। চার, তিন কিংবা দুই শালিকের আনন্দ আর বার্তার গল্পে ভেসে উঠলেও আচমকা উড়ে যায় বাকি শালিকগুলো। শেষমেশ কবির চোখের সামনে আটকে থাকে কেবল একটি নিঃসঙ্গ শালিক, যা লোকবিশ্বাসে নিয়ে আসে গভীর দুঃখ। প্রিয়ার সুদূর অবস্থান আর এক শালিকের এই নির্মম নিঃসঙ্গতা কবিকে নিজের অপূর্ণ জীবনের কান্নায় ভাসিয়ে দেয়। একলা শালিক আর হৃদয়ের একাকীত্বের এই প্রগাঢ় আবেগ আবৃত্তিশিল্পী নিবেদিতা নাগ তহবিলদার ও তাপস রায় তাঁদের সুগভীর কণ্ঠে অনবদ্যভাবে তুলে ধরেছেন। বৃষ্টিদিনের অন্তরালে লুকিয়ে থাকা বিরহী হৃদয়ের এই হাহাকার অনুভব করতে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।
এভাবেই বিষাদে, সংলাপে
ভিউস: ৪