"এক শালিকের গল্প" কবিতাটি বৃষ্টিভেজা সকালে কবি ও ‘মেঘ’-এর ফোনালাপে ফুটে ওঠা এক গভীর বিরহগাথার গল্প। জানালার ওপাশে সজনে গাছের ডালে শালিকের বিচরণ দেখে শুরু হয় প্রিয়ার সাথে কবিমন ও হারানো যুগের কথকতা। চার, তিন কিংবা দুই শালিকের আনন্দ আর বার্তার গল্পে ভেসে উঠলেও আচমকা উড়ে যায় বাকি শালিকগুলো। শেষমেশ কবির চোখের সামনে আটকে থাকে কেবল একটি নিঃসঙ্গ শালিক, যা লোকবিশ্বাসে নিয়ে আসে গভীর দুঃখ। প্রিয়ার সুদূর অবস্থান আর এক শালিকের এই নির্মম নিঃসঙ্গতা কবিকে নিজের অপূর্ণ জীবনের কান্নায় ভাসিয়ে দেয়। একলা শালিক আর হৃদয়ের একাকীত্বের এই প্রগাঢ় আবেগ আবৃত্তিশিল্পী নিবেদিতা নাগ তহবিলদার ও তাপস রায় তাঁদের সুগভীর কণ্ঠে অনবদ্যভাবে তুলে ধরেছেন। বৃষ্টিদিনের অন্তরালে লুকিয়ে থাকা বিরহী হৃদয়ের এই হাহাকার অনুভব করতে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।