"মুঠোফোনের পর্দা" কবিতাটি মূলত অতীত স্মৃতির ব্যাকুলতা আর সামাজিক নিয়মের দেয়ালে বন্দি দুই হৃদয়ের করুণ কথকতা। হাত ধরে রাস্তা পার করা, কফির মগে আঙুল ছোঁয়া কিংবা রিকশায় আগলে রাখার স্মৃতিগুলো আজও প্রিয়ার মনে পরম জীবন্ত। ভেসে যাওয়ার ভয় ও অস্তিত্ব হারানোর আশঙ্কায় প্রিয়া নিজেকে দূরে সরিয়ে নিলেও আড়ালে রয়ে গেছে এক প্রগাঢ় আত্মিক টান। নিজ নিজ সংসার ও জীবনের নানা ব্যস্ততায় শরীরগুলো বিচ্ছিন্ন হলেও তাদের অনুভূতি আটকে আছে অতীতের সেই ধূসর ইতিহাসে। কোনো সরাসরি সাক্ষাৎ বা পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলেও হৃদয়ের গভীর ব্যাকুলতা ফুরিয়ে যায়নি বিন্দুমাত্র। আর তাই সব হারানো প্রেম আর জমে থাকা কান্না নিয়ে আজ শুধুই ব্যাকুল অপেক্ষা—‘মুঠোফোনের স্ক্রিনে’, যা আবৃত্তিশিল্পী নিবেদিতা নাগ তহবিলদার ও তাপস রায় তাঁদের সুগভীর কণ্ঠে অনবদ্য রূপ দিয়েছেন। স্মৃতির মায়া আর পর্দায় বন্দি বিষাদময় অনুভূতির ছোঁয়া পেতে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।