"যতিচিহ্ন" কবিতাটি বৃষ্টিভেজা সকালে অনাকাঙ্ক্ষিত এক ফোনালাপ আর না-বলা অভিমানের গল্প। ঘূর্ণিঝড় রেমাল আর বৃষ্টির ছাঁটের অজুহাতে প্রিয়া ফোন করলেও কবির হৃদয়ে জেগে ওঠে পুরনো স্মৃতি আর না-জানার গভীর আক্ষেপ। প্রিয়ার সাফল্যের গান গাওয়ার সুযোগ না পাওয়া, সংগঠনের লোগো ডিজাইনের অবদানের পর বিস্মৃতি—সবকিছুতেই কবির জমতে থাকে মান-অভিমান। প্রিয়া যখন আনুষ্ঠানিক ধন্যবাদ আর কফির নিমন্ত্রণে দূরত্ব মেটাতে চায়, কবি তখন ছুঁয়ে যান অতীত যন্ত্রণার সেই শেষ বিন্দুটি। যেখানে সম্পর্কের ছেদ ঘটেছিল, সেই ‘পেয়ালা’ কফিশপেই কবি আবার আহ্বান জানান নতুন শুরুর। বিচ্ছেদ পেরিয়ে অনুভূতির এমন ফিরে আসার আকুলতাকে আবৃত্তিশিল্পী মাহবুবুর রহমান টুনু ও অনন্যা মাহমুদ তাঁদের সুগভীর কণ্ঠে অনন্য রূপ দিয়েছেন। পুরনো বিচ্ছেদ আর নতুন করে পথচলার এই প্রগাঢ় সুর অনুভব করতে শুনুন সম্পূর্ণ আবৃত্তিটি।