হোম
আপন আকর
অক্ষর বৃত্ত
শব্দ সুধা
কালের ক্যানভাস
লেখালোক
তোমাকে ছাড়া আমি বেশ আছি
হিজলের চোখে আজো নিস্ফলা দুপুর- ভবঘুরে মাছ খোঁজে শ্যাওলার আঁচল পৃথিবীর ধূসরতা আজো যেন একইরকম জানালার চৌকাঠে জমে থাকে কমলা বিকেল, নিঃসঙ্গ চিল ওড়ে আকাশের ভাঁজে-
তোমার নামে নৌকা ভাসাই
ভালোবাসা তোমার নামে
কমলা রোদের ক্যানভাসে আধপোড়া স্মৃতি- স্প্যারোতে কাটানো বিকেল, চামচের নিমগ্ন টুংটাং মুখোমুখি বসে থাকা নিশ্চুপ ঘোরলাগা প্রহর, চিবুকের টোলে লুণ্ঠিত আবেগ সিগারেটের কুণ্ডুলীতে মিশে গেছে নক্ষত্র পানে, চৈত্রের দাবদাহে পোড় খাওয়া অনুভূতি আর বডিব্যাগে ছিল অবশিষ্ট দু’ফোঁটা মুগ্ধতা!
তোমার নামে নৌকা ভাসাই
তুমি অন্য কারো প্রেমে পড়েছো
একটা রঙিন সুতোর অভাবে ইচ্ছেগুলো বাষ্প হয়ে যায়, গাঁথা হয়না চেনা পথটাও খুঁজে পায়না গন্তব্য, পথের নুড়ি, বেওয়ারিশ রাজপথ অপেক্ষায় কাঁদে।
তোমার নামে নৌকা ভাসাই
হয়তো
হয়তো চোরাবালিতে নিভে যেতো অভিমানটুকু, ওভাবেই আর মাত্র সামান্যটুকু- যখন লাজের চৌকাঠ ছুঁয়ে একদিন বলেছিলে, ‘ভালোবাসি।’
তোমার নামে নৌকা ভাসাই
আমি একদিন
আমি একদিন ইচ্ছে করেই জোনাক হবো, বুকের জমাট- কষ্টচাপা আগুন ঢেলে গহীন কালো জগৎ টাকে আলোয় ভরে তোর দু’চোখে মুগ্ধ চোখের দৃষ্টি হবো।
তোমার নামে নৌকা ভাসাই
সহস্র নীহারিকা তুমি
পাখির ডানায় সন্ধ্যা আসে- প্রহেলিকায় ভাসমান, স্খলনের আবেশ সহ।
তোমার নামে নৌকা ভাসাই
এ আমার কেমন ভালোবাসা
আশা-নিরাশার দোলাচলে সকল অভিলাষা- জানিনা আমাদের মাঝে এ কেমন ভালোবাসা!
তোমার নামে নৌকা ভাসাই
বসন্ত এসে ফিরে গেছে
বসন্ত এসে ফিরে গেছে খোলা জানালায়, যুবক বুঝতেও পারেনি কালবোশেখী'র তীব্র ছোবল মনের দুয়ারে আঘাত হেনে বলে গেছে ফিসফিস, সে আসলে কোনদিনই তার ছিল না।
তোমার নামে নৌকা ভাসাই
<
Prev
Next
>