
ভিউস: ১
সম্রাট অশোক- অহিংসা! নাকি হিংসার প্রতিচ্ছবি!!!
হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছি পৃথিবীর পথে, সিংহল সমুদ্র থেকে নিশীথের অন্ধকারে মালয় সাগরে অনেক ঘুরেছি আমি; বিম্বিসার অশোকের ধূসর জগতে সেখানে ছিলাম আমি; আরো দূর অন্ধকারে বিদর্ভ নগরে বনলতা সেন কবিতায় কবি জীবনানন্দ দাশ অশোকের ধূসর জগতের কথা বলেছেন। অশোকের জগতটা আমাদের কাছে আসলেই ধূসর থাকতো যদি জেমস প্রিন্সেপ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির চাকরি নিয়ে ১৮১৯ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতায় না আসতেন। এশিয়াটিক সোসাইটির সঙ্গে যুক্ত প্রিন্সেপ ভারতীয় প্রত্নতত্ত্বকে নতুন জীবন দান করেন। অশোক সাধারণ মানুষকে বৌদ্ধধর্মে উদ্বুদ্ধ করার জন্য রাজ্যের বিভিন্ন স্হানে (পাহাড়ের গায়ে, পাথরের স্তম্ভে, পবর্ত গুহায়) বুদ্ধের বাণী এবং উপদেশ লিপিবদ্ধ করেছিলেন। তার উপদেশ লিপিগুলো ‘অশোকলেখ’ নামে পরিচিত। উনিশ শতকে ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও নেপালে পাথরের স্তম্ভের ওপর এসব অশোকলেখ আবিস্কৃত হলেও তার আগে কেউ এটা নিয়ে মাথা ঘামায়নি।



