
ভিউস: ০
দিল্লির ‘অনাকাঙ্ক্ষিত’ বাধা ও সীমান্তের উত্তাপ: কোন পথে এগোচ্ছে ঢাকা-দিল্লি কূটনীতি?
দীর্ঘ ১৭ বছরের একপাক্ষিক নতজানু পররাষ্ট্রনীতি এবং রাজনৈতিক দাসত্বের চাদর ভেঙে গত ১২ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে একটি সম্পূর্ণ নতুন, স্বাধীন এবং বাংলাদেশপন্থী সরকার গঠিত হয়েছে। জনগণের পরিচ্ছন্ন ও শক্তিশালী ম্যান্ডেটের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা এই নির্বাচিত সরকার স্পষ্ট করে দিয়েছে—এখন থেকে রাষ্ট্রের কূটনীতি নির্ধারিত হবে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ এই মূলনীতিকে সামনে রেখে। কিন্তু ঢাকা যখন সমমর্যাদা ও সার্বভৌমত্বের নতুন অধ্যায় রচনা করছে, তখন দিল্লি যেন এখনো তাদের পুরনো আধিপত্যবাদী মনস্তত্ত্ব এবং "দাদাগিরি" সুলভ আচরণ থেকে বের হতে পারছে না। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফের নজিরবিহীন ও অমানবিক পুশ-ইন প্রচেষ্টা, দিল্লির আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর শীর্ষ উপদেষ্টাকে রহস্যজনক কূটনৈতিক বাধা, এবং ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচার শেখ হাসিনাকে দিল্লিতে আশ্রয় দিয়ে ভারতের মিডিয়া ও রাজনীতিকদের ক্রমাগত বাংলাদেশ-বিরোধী বিষোদ্গার দুই দেশের সম্পর্ককে এক চরম উত্তেজনার মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে। এমতাবস্থায়, ঢাকার স্বাধীনচেতা কূটনীতি বনাম দিল্লির বৈরী আচরণের এই সংঘাত দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে এক বড় ধরনের মেরুকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে, যা দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ গতিপথকে এক গভীর অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছে।



